ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন ভবন ঘিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সহিদ আব্দুস ছালাম পুলিশ কমিশনারের কাছে এই চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, গত ২৫ অক্টোবর (শনিবার) রাতে কিছু দুষ্কৃতকারী নির্বাচন ভবনের সামনের ভাস্কর্যে একটি ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ ঘটায়। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশন ভবনটির নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
কমিশনের পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয়, অফিস সময়ের পর এবং ছুটির দিনগুলোতে নির্বাচন ভবনের চারপাশে বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু থাকায় নিরাপত্তার হুমকি আরও বাড়ছে।
এমন পরিস্থিতিতে, ভবনের আশপাশের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ রাখা এবং নির্বাচন ভবনের সামনে ও আশপাশে পুলিশের টহল বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে, জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে, নির্বাচন ভবনের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য গত ১৩ অক্টোবর ভবনের সামনের রাস্তা থেকে অবৈধ ও ভ্রাম্যমাণ দোকানপাট উচ্ছেদ করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এরপর যৌথবাহিনীর সদস্যরা আগারগাঁও এলাকা থেকে আলোচিত ‘কেকপট্টির’ দোকানগুলো উচ্ছেদ করে।
নির্বাচন কমিশন রোজার আগেই আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই লক্ষ্যে তারা নিয়মিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করছে।
রিপোর্টারের নাম 






















