ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচনী সফরে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করছেন তারেক রহমান: সফরসঙ্গী হচ্ছেন আন্দোলনের লড়াকু নেতারা

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সফরের সূচনালগ্নেই তিনি দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারেক রহমানের প্রতিটি নির্বাচনী সফরে পর্যায়ক্রমে আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত ও লড়াকু নেতাদের সফরসঙ্গী হিসেবে রাখা হবে।

বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি জানান, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে যারা জেল-জুলুম ও নির্যাতন উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই তারেক রহমান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মাধ্যমে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ত্যাগী ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা হবে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ রাতে ৮টা ১৫ মিনিটে বিমানে সিলেট পৌঁছানোর মাধ্যমে তারেক রহমানের এই নির্বাচনী সফর শুরু হবে। সিলেটে পৌঁছে তিনি গভীর রাতে হযরত শাহজালাল (রঃ)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। আগামীকাল সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

সিলেটের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন একঝাঁক তরুণ ও ত্যাগী নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মামুন হাসান, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ এবং রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ আরও বেশ কয়েকজন লড়াকু নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিএনপি বিশ্বাস করে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে সর্বোচ্চ সহনশীলতা ও সহাবস্থানের পরিচয় দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানাই, যেন নির্বাচনী আচরণবিধি পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিপালন করা হয়। জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে এই নির্বাচনকে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। গণতান্ত্রিক চর্চা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম, আটক ১

নির্বাচনী সফরে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করছেন তারেক রহমান: সফরসঙ্গী হচ্ছেন আন্দোলনের লড়াকু নেতারা

আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সফরের সূচনালগ্নেই তিনি দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারেক রহমানের প্রতিটি নির্বাচনী সফরে পর্যায়ক্রমে আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত ও লড়াকু নেতাদের সফরসঙ্গী হিসেবে রাখা হবে।

বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি জানান, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে যারা জেল-জুলুম ও নির্যাতন উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই তারেক রহমান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মাধ্যমে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ত্যাগী ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা হবে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ রাতে ৮টা ১৫ মিনিটে বিমানে সিলেট পৌঁছানোর মাধ্যমে তারেক রহমানের এই নির্বাচনী সফর শুরু হবে। সিলেটে পৌঁছে তিনি গভীর রাতে হযরত শাহজালাল (রঃ)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। আগামীকাল সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

সিলেটের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন একঝাঁক তরুণ ও ত্যাগী নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মামুন হাসান, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ এবং রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ আরও বেশ কয়েকজন লড়াকু নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিএনপি বিশ্বাস করে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে সর্বোচ্চ সহনশীলতা ও সহাবস্থানের পরিচয় দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানাই, যেন নির্বাচনী আচরণবিধি পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিপালন করা হয়। জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে এই নির্বাচনকে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। গণতান্ত্রিক চর্চা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।