ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বহিষ্কারের পরও নির্বাচন থেকে সরলেন না বিএনপির যেসব নেতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর দেশের অন্তত অর্ধশতাধিক সংসদীয় আসনে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে রয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও বিএনপির এসব বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। এতে করে দলীয় ঐক্য ও ভোটের সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা অনেক ত্যাগী নেতা মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, আবার কেউ প্রকাশ্যে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর বেশির ভাগই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনপ্রিয় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে দলটির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে বহিষ্কারের পরেও যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও সমমনাদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলো থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি বিএনপির বহিষ্কৃত নেতারা। এর মধ্যে কেউ কেউ শেষ পর্যন্ত ভোটে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম, আটক ১

বহিষ্কারের পরও নির্বাচন থেকে সরলেন না বিএনপির যেসব নেতা

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর দেশের অন্তত অর্ধশতাধিক সংসদীয় আসনে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে রয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও বিএনপির এসব বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। এতে করে দলীয় ঐক্য ও ভোটের সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা অনেক ত্যাগী নেতা মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, আবার কেউ প্রকাশ্যে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর বেশির ভাগই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনপ্রিয় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে দলটির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে বহিষ্কারের পরেও যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও সমমনাদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলো থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি বিএনপির বহিষ্কৃত নেতারা। এর মধ্যে কেউ কেউ শেষ পর্যন্ত ভোটে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।