ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

মিরপুরে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দলটি। হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম তুহিন। মঙ্গলবার রাতে মিরপুরে মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় বিএনপি ও যুবদলের সন্ত্রাসীরা জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় বলে অভিযোগ দলটির। এই হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

পীরেরবাগ পাকা মসজিদের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বারেক মোল্লার মোড়ে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে কাফরুল পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির আব্দুল মতিন খান, থানার নেতা আতিকুর রহমান রায়হান ও ওয়াহিদুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শাহ আলম তুহিন অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও যুবদল নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা নির্বাচনকালীন পরিবেশ বিঘ্নিত করার জন্য বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় নামাজ শেষে বের হওয়া জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের ওপর বিনা উসকানিতে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে ঢাকা মহানগরী উত্তরের শিবির সভাপতি হাফেজ আবু তাহেরসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এমনকি জামায়াতের নারী কর্মীরাও সন্ত্রাসীদের হামলে থেকে রেহাই পাননি এবং তাদের কয়েকজনকেও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার এই বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না, যার ফলে সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনও এই ঘটনায় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি, বরং সন্ত্রাসীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, সরকার এখনো সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। অন্যথায় জনগণই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

এদিকে, নারী কর্মীদের হেনস্তা ও সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত বুধবার সকালে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেছে। সকাল নয়টায় বারেক মোল্লা মোড় এলাকা থেকে এই মিছিলটি শুরু হবে বলে দলটি জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় ৫০ অসহায় পরিবারে নিরাপদ পানির জন্য টিউবওয়েল বিতরণ

মিরপুরে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি

আপডেট সময় : ০২:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দলটি। হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম তুহিন। মঙ্গলবার রাতে মিরপুরে মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় বিএনপি ও যুবদলের সন্ত্রাসীরা জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় বলে অভিযোগ দলটির। এই হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

পীরেরবাগ পাকা মসজিদের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বারেক মোল্লার মোড়ে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে কাফরুল পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির আব্দুল মতিন খান, থানার নেতা আতিকুর রহমান রায়হান ও ওয়াহিদুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শাহ আলম তুহিন অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও যুবদল নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা নির্বাচনকালীন পরিবেশ বিঘ্নিত করার জন্য বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় নামাজ শেষে বের হওয়া জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের ওপর বিনা উসকানিতে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে ঢাকা মহানগরী উত্তরের শিবির সভাপতি হাফেজ আবু তাহেরসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এমনকি জামায়াতের নারী কর্মীরাও সন্ত্রাসীদের হামলে থেকে রেহাই পাননি এবং তাদের কয়েকজনকেও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার এই বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না, যার ফলে সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনও এই ঘটনায় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি, বরং সন্ত্রাসীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, সরকার এখনো সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। অন্যথায় জনগণই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

এদিকে, নারী কর্মীদের হেনস্তা ও সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত বুধবার সকালে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেছে। সকাল নয়টায় বারেক মোল্লা মোড় এলাকা থেকে এই মিছিলটি শুরু হবে বলে দলটি জানিয়েছে।