জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। তারই অংশ হিসেবে, একদা দেশের অন্যতম প্রধান ইসলামি রাজনৈতিক দল খেলাফত মজলিসের অধিকাংশ প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। দলটির ৭২ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রার্থী শেষ দিনে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ দলীয় জোটের আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের এই প্রক্রিয়ায় দলটির নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি ১০ দলীয় ঐক্যের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ জোটভুক্ত অন্যান্য দলের সমর্থনে এই প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমিরের আসনেও খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
তবে, দলটির ২০ জন প্রার্থী এখনো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই ২০ জনের মধ্যে ১১টি আসনে তারা ১০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। বাকি ৯টি আসনে অন্য শরিক দলগুলোর প্রার্থীদের পাশাপাশি খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরাও উন্মুক্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে দলটির যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল জানিয়েছেন।
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পূর্বে খেলাফত মজলিস ২৫৮টি সংসদীয় আসনে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়ে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছিল। পরবর্তীতে, শরিক দলগুলোকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন ছেড়ে দিয়ে দলটি মাত্র ৭৪টি আসনে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল। ইসলামপন্থি ও দেশপ্রেমিক শক্তির বৃহত্তর ঐক্য বজায় রাখার স্বার্থে চূড়ান্তভাবে অর্ধ শতাধিক আসনে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে মঙ্গলবার প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। অবশিষ্ট প্রার্থীরা ১০ দলীয় ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘দেওয়াল ঘড়ি’ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
রিপোর্টারের নাম 






















