ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

যুবলীগ নেতার বাড়িতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩, ছাত্র পরিচয় নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

খুলনার কয়রা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলামের বাড়িতে চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিজেদের ছাত্র সমন্বয়ক এবং এনসিপি নেতা পরিচয় দিয়ে তারা যুবলীগ নেতার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার বিকেলে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার নেসার উদ্দিন সড়কে অবস্থিত এস এম শফিকুল ইসলামের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ঢাকায় আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি শফিকুল ইসলাম খুলনায় ফিরে ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

আটককৃতদের নাম মেহেদী হাসান মিরাজ, আল নাহিয়ান এবং মিরাজ গাজী। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এস এম শফিকুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তিনি সবকটিতেই জামিনে রয়েছেন।

অন্যদিকে, এনসিপি (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন)-এর জেলা সমন্বয়কারী মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিরা এনসিপি বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো কমিটিতে যুক্ত নন। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে, তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে অর্ধডজন মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও যুবলীগ সভাপতি কেন দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে অবস্থান করলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেনি।

মামলার বাদী শাহনাজ পারভীনের ভাষ্যমতে, আটক যুবকরা নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দিয়ে তার বাবার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হলে তার বাবাকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এই বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির স্বপ্নভঙ্গ, রদ্রির জাদুতে স্পেনের বিশ্বজয়

যুবলীগ নেতার বাড়িতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩, ছাত্র পরিচয় নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৪০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

খুলনার কয়রা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলামের বাড়িতে চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিজেদের ছাত্র সমন্বয়ক এবং এনসিপি নেতা পরিচয় দিয়ে তারা যুবলীগ নেতার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার বিকেলে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার নেসার উদ্দিন সড়কে অবস্থিত এস এম শফিকুল ইসলামের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ঢাকায় আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি শফিকুল ইসলাম খুলনায় ফিরে ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

আটককৃতদের নাম মেহেদী হাসান মিরাজ, আল নাহিয়ান এবং মিরাজ গাজী। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এস এম শফিকুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তিনি সবকটিতেই জামিনে রয়েছেন।

অন্যদিকে, এনসিপি (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন)-এর জেলা সমন্বয়কারী মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিরা এনসিপি বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো কমিটিতে যুক্ত নন। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে, তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে অর্ধডজন মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও যুবলীগ সভাপতি কেন দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে অবস্থান করলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেনি।

মামলার বাদী শাহনাজ পারভীনের ভাষ্যমতে, আটক যুবকরা নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দিয়ে তার বাবার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হলে তার বাবাকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এই বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।