দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, এখন থেকে দুর্নীতি করলে শুধু বদলি নয়, সরাসরি বরখাস্ত করা হবে। নেত্রকোনার কলমাকান্দা-দুর্গাপুরে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “জনগণের ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছি জনগণের সেবা করার জন্য। আমি নিজে দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না। যারা এসব করেছেন, আল্লাহর ওয়াস্তে তওবা করেন।” ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ভালো উদ্যোগ নিয়েছিলেন, কিন্তু কিছু দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকর্তা ও তথ্য সংগ্রহকারীর কারণে এটি মুখ থুবড়ে পড়েছে।” তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “আমি নির্বাচনের সময় ওয়াদা করেছিলাম, নিজে দুর্নীতি করব না, আর কাউকে করতেও দিব না। তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। আমি থাকা অবস্থায় এক টাকার হেরফেরও হতে দেব না।”
কৃষি খাতের দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “আমরা খাদ্যে কেবল স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেই ক্ষান্ত হতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আগামীতে ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, চায়না, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়ায় ধান রপ্তানি করার পরিকল্পনা করছে। গার্মেন্টস শিল্পের মতো ধান পাঠিয়েও আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করব।”
তিনি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রশংসা করে বলেন, “দেশের অন্যান্য অনেক প্রতিষ্ঠান যখন ব্যাকফুটে, তখন ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনে দিনে অনন্য উচ্চতায় যাচ্ছে। হাওর অঞ্চলে অকালবন্যা ও অতিবৃষ্টির হাত থেকে ফসল বাঁচাতে আগাম জাতের যে ধান উদ্ভাবনের কথা বলা হয়েছিল, আমাদের বিজ্ঞানীরা তা সফলভাবে উদ্ভাবন করেছেন। এতে করে বৃষ্টি শুরুর আগেই কৃষক তার সোনার ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।”
লেংগুরা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত এই সুধী সমাবেশ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ‘এলএসটিডি’ প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
রিপোর্টারের নাম 























