ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি: অধিকাংশ সবজির দাম এখন ১০০ টাকার উপরে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীসহ সারা দেশে কাঁচাবাজারে জিনিসপত্রের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। টানা বৃষ্টির কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সবজির দাম কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ কমে যাওয়ার অজুহাত দেখাচ্ছেন।

বর্তমানে প্রতি কেজি বেগুন ১২০ টাকা, করলা ও ঢ্যাঁড়স ১০০-১২০ টাকা, পটল ও ঝিঙা ৮০-১০০ টাকা এবং শসার দাম ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো প্রতি কেজি ১২০-১৬০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৮০-৯০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। পেঁপে ৪০-৫০ টাকায় কিছুটা স্বস্তি দিলেও, পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়ে খুচরা বাজারে ৬০ টাকায় ঠেকেছে।

সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। এক মাস আগেও যে মরিচ ১০০-১২০ টাকায় কেজি দরে বিক্রি হতো, তা এখন দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে ২০০-২৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কারওয়ান বাজারে কিছুটা কম দামে ২০০ টাকায় পাওয়া গেলেও অভিজাত এলাকার খুচরা বাজারে তা ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা এম এম আকাশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বৃষ্টির অজুহাতে প্রতিদিনই নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এক সপ্তাহ আগে যে মরিচ ৪০ টাকায় ২৫০ গ্রাম কিনেছি, আজ তা ৬০ টাকা দিয়ে কিনতে হলো। সব সবজির দাম এখন আকাশের নিচে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এভাবে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’

কেরানীগঞ্জের সবজি বিক্রেতা আজিজুর রহমান আজিজ জানান, ‘বৃষ্টির কারণে পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত সবজি আসছে না। খেতে পানি জমে যাওয়ায় অনেক ফসল পচে নষ্ট হয়েছে এবং কৃষকরা মাঠ থেকে সবজি তুলতে পারছেন না। সরবরাহ কম ও চাহিদা বেশি থাকায় আমাদের বেশি দামে কিনে কিছুটা লাভে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

কৃষিবিদ ড. জামাল উদ্দিনের মতে, আবহাওয়ার এই বৈরী আচরণ চলতে থাকলে স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল আরও ভেঙে পড়তে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ওয়াশরুমে ভিডিও ধারণের অভিযোগ: উত্তাল ক্যাম্পাস, প্রশাসনিক ভবনে তালা

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি: অধিকাংশ সবজির দাম এখন ১০০ টাকার উপরে

আপডেট সময় : ০২:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

রাজধানীসহ সারা দেশে কাঁচাবাজারে জিনিসপত্রের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। টানা বৃষ্টির কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সবজির দাম কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ কমে যাওয়ার অজুহাত দেখাচ্ছেন।

বর্তমানে প্রতি কেজি বেগুন ১২০ টাকা, করলা ও ঢ্যাঁড়স ১০০-১২০ টাকা, পটল ও ঝিঙা ৮০-১০০ টাকা এবং শসার দাম ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো প্রতি কেজি ১২০-১৬০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৮০-৯০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। পেঁপে ৪০-৫০ টাকায় কিছুটা স্বস্তি দিলেও, পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়ে খুচরা বাজারে ৬০ টাকায় ঠেকেছে।

সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। এক মাস আগেও যে মরিচ ১০০-১২০ টাকায় কেজি দরে বিক্রি হতো, তা এখন দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে ২০০-২৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কারওয়ান বাজারে কিছুটা কম দামে ২০০ টাকায় পাওয়া গেলেও অভিজাত এলাকার খুচরা বাজারে তা ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা এম এম আকাশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বৃষ্টির অজুহাতে প্রতিদিনই নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এক সপ্তাহ আগে যে মরিচ ৪০ টাকায় ২৫০ গ্রাম কিনেছি, আজ তা ৬০ টাকা দিয়ে কিনতে হলো। সব সবজির দাম এখন আকাশের নিচে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এভাবে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’

কেরানীগঞ্জের সবজি বিক্রেতা আজিজুর রহমান আজিজ জানান, ‘বৃষ্টির কারণে পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত সবজি আসছে না। খেতে পানি জমে যাওয়ায় অনেক ফসল পচে নষ্ট হয়েছে এবং কৃষকরা মাঠ থেকে সবজি তুলতে পারছেন না। সরবরাহ কম ও চাহিদা বেশি থাকায় আমাদের বেশি দামে কিনে কিছুটা লাভে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

কৃষিবিদ ড. জামাল উদ্দিনের মতে, আবহাওয়ার এই বৈরী আচরণ চলতে থাকলে স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল আরও ভেঙে পড়তে পারে।