কারাবন্দি সংখ্যালঘু নেতা ও সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও জাতীয় পতাকার অবমাননার অভিযোগে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের একটি আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক জাহিদুল হকের এজলাসে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির নির্ধারিত দিনে আদালত মামলার নথি পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জগঠন বা অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সাথে বিচারক দ্রুত এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী শুনানির দিন থেকেই এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের কাজ শুরু হবে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ওপর ধর্মীয় পতাকা উড়িয়ে অবমাননা করা এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর এই গ্রেপ্তারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক উত্তেজনা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে চট্টগ্রামে তাঁর জামিন শুনানি চলাকালীন আদালত প্রাঙ্গণে বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, ওই সময়কার সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম নামে এক তরুণ আইনজীবীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে, যা দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। সেই সময় থেকেই চিন্ময় কৃষ্ণ দাস কারাগারে রয়েছেন। বর্তমান সরকার ও আদালত এই স্পর্শকাতর মামলাটির আইনি নিষ্পত্তি দ্রুত করার লক্ষ্যে এই বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























