ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গ্রাহক প্রতারণা: ইভ্যালির রাসেল ও শামীমার ১৫ মাসের কারাদণ্ড, জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে একটি প্রতারণা মামলায় ১৫ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আসামিদের অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন এবং একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

আদালত কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এই অর্থ অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত না থাকায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করে আসছিলেন। এ ধরনের একটি বিজ্ঞাপন দেখে ভুক্তভোগী মো. বজলুর রহমান ২০২১ সালের ৪ জুন একটি হোন্ডা লিভো ১১০সিসি মোটরসাইকেল কেনার জন্য ইভ্যালিতে ৬১ হাজার ১৪২ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করেন। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে এই অর্থ প্রদান করেছিলেন। তবে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ বাদীকে মোটরসাইকেলটি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়।

এই ঘটনায় মো. বজলুর রহমান ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মুসতাভী হাসান রাতুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: এনজিও ঋণের জট নিয়ে চাঞ্চল্য

গ্রাহক প্রতারণা: ইভ্যালির রাসেল ও শামীমার ১৫ মাসের কারাদণ্ড, জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আপডেট সময় : ১২:০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে একটি প্রতারণা মামলায় ১৫ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আসামিদের অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন এবং একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

আদালত কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এই অর্থ অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত না থাকায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করে আসছিলেন। এ ধরনের একটি বিজ্ঞাপন দেখে ভুক্তভোগী মো. বজলুর রহমান ২০২১ সালের ৪ জুন একটি হোন্ডা লিভো ১১০সিসি মোটরসাইকেল কেনার জন্য ইভ্যালিতে ৬১ হাজার ১৪২ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করেন। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে এই অর্থ প্রদান করেছিলেন। তবে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ বাদীকে মোটরসাইকেলটি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়।

এই ঘটনায় মো. বজলুর রহমান ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মুসতাভী হাসান রাতুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।