ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বিএনপি জোটের জমিয়ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়বেন খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতি

নীলফামারী- ১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে বিএনপি জোটের জমিয়ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন খালেদা জিয়ার বড় বোনের স্বামী ও তার ভগ্নিপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী। অপরদিকে নীলফামারী- ২ (সদর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী খালেদা জিয়ার বড় বোনের ছেলে শাহরিন ইসলাম চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

জেলার এ দুই আসনে জিয়া পরিবারের এ আত্মীয় তথা পিতা-পুত্রের ভোটের ময়দানে এমন লড়াই জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। জোটকে বিপাকে ফেলতে ও নিজেদের আখের গোছাতে পিতাপুত্র নির্বাচনে এভাবে লড়াইয়ে নেমেছেন বলে ভোটারদের অভিমত।

তাদের এমন কাণ্ডে নীলফামারী- ১ আসনের বিএনপির সাধারণ ভোটারগণ এখনো রয়েছে দ্বিধা দ্বন্দ্বে। তারা কাকে ভোট দিবে বিএনপি জোট প্রার্থী জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী না খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতি। বিএনপি একটা অংশ জোট প্রার্থীর পক্ষে আবার আরেকটি অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতির পক্ষে।

জানা যায়, নীলফামারী- ১ আসনটি জোট প্রার্থী জমিয়ত মহাসচিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। এর ফলে এ আসনের তাদের নির্ধারিত প্রার্থী তারেক রহমানের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলামের ছেলে শাহরিন ইসলাম চৌধুরীকে নীলফামারী- ২ আসনে বিএনপির প্রার্থী করা হয়।

এর ফলে তার বাবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নীলফামারী- ১ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে ওই এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর তিনি জমা দিয়েছিলেন। তবে একাধিক ভোটারের তথ্য অসঙ্গতি হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করেছিল জেলা রিটার্নিং অফিসার। রিটার্নিং অফিসারে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।

নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ভোটে লড়ার ঘোষনা দেন। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ২০১৮ সালে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ছিলেন এই আসনে। এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর বিরুদ্ধে লড়ছেন তিনি।

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জানান, প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে তিনি লড়বেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কোনো অবকাশ নেই। এটা তার প্রেস্টিজ ইস্যু বলে তিনি দাবি করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানা ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি

বিএনপি জোটের জমিয়ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়বেন খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতি

আপডেট সময় : ০১:৩৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

নীলফামারী- ১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে বিএনপি জোটের জমিয়ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন খালেদা জিয়ার বড় বোনের স্বামী ও তার ভগ্নিপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী। অপরদিকে নীলফামারী- ২ (সদর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী খালেদা জিয়ার বড় বোনের ছেলে শাহরিন ইসলাম চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

জেলার এ দুই আসনে জিয়া পরিবারের এ আত্মীয় তথা পিতা-পুত্রের ভোটের ময়দানে এমন লড়াই জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। জোটকে বিপাকে ফেলতে ও নিজেদের আখের গোছাতে পিতাপুত্র নির্বাচনে এভাবে লড়াইয়ে নেমেছেন বলে ভোটারদের অভিমত।

তাদের এমন কাণ্ডে নীলফামারী- ১ আসনের বিএনপির সাধারণ ভোটারগণ এখনো রয়েছে দ্বিধা দ্বন্দ্বে। তারা কাকে ভোট দিবে বিএনপি জোট প্রার্থী জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী না খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতি। বিএনপি একটা অংশ জোট প্রার্থীর পক্ষে আবার আরেকটি অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদা জিয়ার ভগ্নিপতির পক্ষে।

জানা যায়, নীলফামারী- ১ আসনটি জোট প্রার্থী জমিয়ত মহাসচিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। এর ফলে এ আসনের তাদের নির্ধারিত প্রার্থী তারেক রহমানের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলামের ছেলে শাহরিন ইসলাম চৌধুরীকে নীলফামারী- ২ আসনে বিএনপির প্রার্থী করা হয়।

এর ফলে তার বাবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নীলফামারী- ১ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে ওই এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর তিনি জমা দিয়েছিলেন। তবে একাধিক ভোটারের তথ্য অসঙ্গতি হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করেছিল জেলা রিটার্নিং অফিসার। রিটার্নিং অফিসারে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।

নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ভোটে লড়ার ঘোষনা দেন। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ২০১৮ সালে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ছিলেন এই আসনে। এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর বিরুদ্ধে লড়ছেন তিনি।

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জানান, প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে তিনি লড়বেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কোনো অবকাশ নেই। এটা তার প্রেস্টিজ ইস্যু বলে তিনি দাবি করেন।