রামুর খুনিয়াপালংয়ে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শ্রমিকলীগ নেতার কোদালের কোপে প্রাণ হারিয়েছেন এক নারী। নিহত রেহেনা আক্তার (৫০) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ছাত্রদল সভাপতি ও ‘জুলাই যোদ্ধা’ ইয়াসিন আরফাত ছোটনের মা। গত ১৮ জানুয়ারি, রোববার সকাল ১০টার দিকে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খেদারঘোনা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেদারঘোনা এলাকার বাসিন্দা ফরিদুল আলমের পুত্র ও খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সভাপতি জহির আলম কালু তার পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ছোটনের বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় দা, কিরিচ ও কোদালের মতো ধারালো দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় রেহেনা আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত রেহেনা আক্তার ও হামলাকারী জহির আলম কালুর পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত রোববার সকালে কালু বিরোধপূর্ণ জায়গায় গেলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কালু তার হাতে থাকা কোদাল দিয়ে রেহেনা আক্তারের মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ওসি।
জহির আলম কালু খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত।
রিপোর্টারের নাম 























