শনিবার দুটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে জয়লাভ করেছে রংপুর রাইডার্স এবং রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১১ রানে হারিয়ে প্লে-অফ পর্ব নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স। দিনের অপর ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ডেভিড মালান ও তাওহিদ হৃদয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে রংপুর বড় সংগ্রহ পেলেও, রাজশাহীর জয় এসেছে মুশফিকুর রহিম ও আকবর আলীর দৃঢ় ব্যাটিংয়ে।
প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্স ডেভিড মালান ও তাওহিদ হৃদয়ের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে ১৮১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়। এই দুই ওপেনার ১৪.১ ওভারে ১২৬ রানের বিশাল জুটি গড়েন। মালান ৪৯ বলে ৭৮ রান করে আউট হন, যার ইনিংসে ছিল অসাধারণ সব শট। এরপর হৃদয় ৪৬ বলে ৬২ রান করে বিদায় নেন। শেষদিকে কাইল মায়ার্সের ১৬ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংসে রংপুর নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮১ রান সংগ্রহ করে। ঢাকার পক্ষে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি উইকেট লাভ করেন।
১৮২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালসের ইনিংস ১৭০ রানে থামে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৩০ বলে ৫৮ রানের এক দারুণ ইনিংস খেললেও তা দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। এছাড়া উসমান খান ১৮ বলে ৩১ এবং অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ২৯ বলে ২৫ রান করেন। তবে রংপুরের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ঢাকার ইনিংস ৭ উইকেটে ১৭০ রানে শেষ হয়, ফলে রংপুর ১১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এবং প্লে-অফ নিশ্চিত করে।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে জয় পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে। আগে ব্যাট করতে নেমে তানজিম হাসান সাকিবের দুর্দান্ত বোলিংয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস ১২৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। আসিফ আলী ৩৯ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। এছাড়া মাহমুদুল হাসান জয় ১৩ বলে ১৯ এবং হাসান নওয়াজ ১৮ রান করেন। রাজশাহীর হয়ে তানজিম হাসান সাকিব ১৭ রান খরচায় একাই চারটি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া জাহানদাদ খান ও রায়ান বার্ল দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
১২৬ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। মাত্র ৩১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে তারা, যা দলের সমর্থকদের মধ্যে গভীর শঙ্কা তৈরি করে। তবে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও তরুণ আকবর আলী ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৬৬ বলে ৮৪ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়ে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন। মুশফিকুর রহিম ৪১ বলে ৪৬ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে আকবর আলীও ৪১ বলে ৪৮ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এই দুজনের দৃঢ়তায় রাজশাহী ৩ উইকেট হাতে রেখে এবং ৩ বল বাকি থাকতে জয় ছিনিয়ে নেয়। মুশফিক ও আকবর ছাড়া রাজশাহীর আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে রান করতে পারেননি।
রিপোর্টারের নাম 
























