ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

অবশেষে কাটছে অপেক্ষা, আজ মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে মা-ইলিশ ধরার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

এর আগে, মা-ইলিশ রক্ষায় গত ৪ অক্টোবর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছিল, যা আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে।

মা-ইলিশের প্রজনন মৌসুমকে ঘিরেই মূলত এই বিশেষ অভিযান চলে। এবার আশ্বিনী পূর্ণিমার আগের চার দিন এবং অমাবস্যার পরের তিন দিনকে হিসাবে ধরে মোট ২২ দিনের এই সময়সীমা ঠিক করা হয়েছিল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা এবং বিশেষ করে জেলেদের মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যেহেতু পূর্ণিমা ও অমাবস্যা—উভয় সময়ই ইলিশের ডিম পাড়ার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই দুটি সময়কেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনে সর্বোচ্চ প্রজনন নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছরের (২০২৪ সাল) এই নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রায় ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ মা-ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পেরেছিল। এর সুফল হিসেবে ইলিশের ভাণ্ডারে প্রায় ৪৪ দশমিক ২৫ হাজার কোটি নতুন জাটকা (রেণু) যোগ হয়েছিল। এই পোনা বা জাটকাগুলোই বড় হয়ে ভবিষ্যতে পরিপক্ব ইলিশে পরিণত হয়।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নামী প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে কোটি টাকা আত্মসাৎ: সিআইডির জালে প্রতারক চক্রের সদস্য

অবশেষে কাটছে অপেক্ষা, আজ মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে মা-ইলিশ ধরার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ১০:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

এর আগে, মা-ইলিশ রক্ষায় গত ৪ অক্টোবর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছিল, যা আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে।

মা-ইলিশের প্রজনন মৌসুমকে ঘিরেই মূলত এই বিশেষ অভিযান চলে। এবার আশ্বিনী পূর্ণিমার আগের চার দিন এবং অমাবস্যার পরের তিন দিনকে হিসাবে ধরে মোট ২২ দিনের এই সময়সীমা ঠিক করা হয়েছিল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা এবং বিশেষ করে জেলেদের মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যেহেতু পূর্ণিমা ও অমাবস্যা—উভয় সময়ই ইলিশের ডিম পাড়ার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই দুটি সময়কেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনে সর্বোচ্চ প্রজনন নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছরের (২০২৪ সাল) এই নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রায় ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ মা-ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পেরেছিল। এর সুফল হিসেবে ইলিশের ভাণ্ডারে প্রায় ৪৪ দশমিক ২৫ হাজার কোটি নতুন জাটকা (রেণু) যোগ হয়েছিল। এই পোনা বা জাটকাগুলোই বড় হয়ে ভবিষ্যতে পরিপক্ব ইলিশে পরিণত হয়।