জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
জোট ত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করেন ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক সমঝোতা ও পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত পরিবেশ বজায় না থাকায় তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আসা এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, জোটের শরিকদের মধ্যে আসন সমঝোতা কিংবা রাজনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে কোনো পক্ষকেই কখনোই অসম্মান করা হয়নি বা কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়নি।
জামায়াতের এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও উল্লেখ করেন, ঐক্য প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই প্রতিটি পদক্ষেপে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখেই সব ধরনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ইসলামী আন্দোলনের অভিযোগের বিপরীতে জামায়াত জানায়, রাজনৈতিক বাস্তবতায় সবাইকে সম্মান দিয়েই তারা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
উল্লেখ্য, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত এই ১১ দলীয় ঐক্য থেকে ইসলামী আন্দোলনের বেরিয়ে যাওয়ার ফলে জোটের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হলো। তবে জোটের অন্যান্য শরিকদের অবস্থান বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
রিপোর্টারের নাম 

























