বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট থাকার মূলে ছিল বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা। দেশ ও জনগণের স্বার্থে কোনো ধরনের নতি স্বীকার না করায় তাকে দীর্ঘ সময় কারাবরণ ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তিনি আজীবন দেশবাসীর কাছে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও আলোকবর্তিকা হিসেবে সমাদৃত।
শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্মের ওপর আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী উল্লেখ করেন, বেগম জিয়ার রাজনৈতিক জীবন অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় ও সংঘাতপূর্ণ। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস। এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে তরুণ সমাজ তার আদর্শ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা কেবল একটি রাজনৈতিক দলের ক্ষতি নয়, বরং সমগ্র জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি সবসময় দেশকে আগলে রাখতেন। তার মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব না থাকলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র আরও সহজ হতো।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তৎকালীন সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় দেশের জন্য ক্ষতিকর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এমনকি ভারতের ঝাড়খণ্ডের যে বিদ্যুৎ প্রকল্পটি খোদ সে দেশের পরিকল্পনা কমিশন বাতিল করেছিল, তা বাংলাদেশে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে থাকতে এ ধরনের কোনো দেশবিরোধী চুক্তিতে সায় দেননি বলেই তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে এবং সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে তিলে তিলে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন কয়লা ও গ্যাস করায়ত্ত করতে দেশি-বিদেশি নানা শক্তি এখনও চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়া এসব চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবসময় ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























