ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্ষমতায় গেলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: জামায়াত আমির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১২:৩৭ এএম, ২৪ অক্টোবর ২০২৫   নিউইয়র্কে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মানুষ নিজের জায়গা বদলাতে পারে, কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারে না। আমরা আমাদের প্রতিবেশীকে সম্মান করতে চাই এবং একইভাবে প্রতিবেশীর কাছ থেকেও সম্মান প্রত্যাশা করি। বিজ্ঞাপন স্থানীয় সময় বুধবার (২২ অক্টোবর) নিউইয়র্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের চেয়ে ভারত আয়তনে ২৬ গুণ বড় দেশ। তাদের সম্পদ, জনশক্তি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি। আমরা তাদের অবস্থান বিবেচনায় সম্মান করি। তবে আমাদের ছোট ভূখণ্ড ও প্রায় ১৮ কোটি মানুষের অস্তিত্বকেও তাদের সম্মান করতে হবে। দিস ইজ আওয়ার ডিমান্ড। যদি তা হয়, তাহলে দুই প্রতিবেশী শুধু ভালোই থাকব না, বরং এক প্রতিবেশীর কারণে অন্য প্রতিবেশীও বিশ্ব দরবারে সম্মানিত হবে। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন ভিন্ন ধর্মের মানুষের অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত প্রায় দেড় বছরে আমাদের কার্যক্রমের মধ্যদিয়েই আমরা এর জবাব দিয়েছি। একটা বিষয় একেবারে পরিষ্কার করতে চাই, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের অভিবাসন ঘটেছে, মুসলমানদেরও। আমরা জোর করে কোনো কিছু বন্ধের পক্ষে নই, আবার জোর করে কাউকে দেশ থেকে তাড়ানোর পক্ষেও নই। তিনি আরও বলেন, আমরা মেজরিটি ও মাইনোরিটি ধারণায় বিশ্বাস করি না। আমরা বলি ‘উই নিড ইউনিটি’। মেজরিটি-মাইনোরিটি বলা মানেই বিভাজন তৈরি করা, যা একদল অন্য দলের মুখোমুখি দাঁড় করায়। গত ৫৪ বছর ধরে আমরা এর ভয়াবহতা দেখেছি, আমরা আর তা দেখতে চাই না। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও সভ্যতার ভিত্তিতে যুগের পর যুগ আমরা মিলেমিশে বসবাসের যে ঐতিহ্য গড়ে তুলেছি, সেটিকেই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। যে কয়েকটি কালো দাগ পড়েছে, সেগুলো উপড়ে ফেলবো ইনশাআল্লাহ, যেন দল ও ধর্মের বিভাজনে জাতি আর বিভক্ত না হয়। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন জামায়াত আমির বলেন, আমরা অনুভব করি, কেউ যদি গত ৫৪ বছরে অন্য কারও সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে থাকে এবং তার প্রমাণ থাকে, তবে আমরা সেই সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার পক্ষে- এটিই আমাদের অবস্থান। জাগোনিউজের খবর পেতে ফলো করুন

সভায় নিউইয়র্কে অবস্থানরত বাংলাদেশি সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের নির্দেশে অ্যানথ্রপিকের সঙ্গে সরকারি কাজ বন্ধ: এআই খাতে নজিরবিহীন ধাক্কা

ক্ষমতায় গেলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ১১:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১২:৩৭ এএম, ২৪ অক্টোবর ২০২৫   নিউইয়র্কে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মানুষ নিজের জায়গা বদলাতে পারে, কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারে না। আমরা আমাদের প্রতিবেশীকে সম্মান করতে চাই এবং একইভাবে প্রতিবেশীর কাছ থেকেও সম্মান প্রত্যাশা করি। বিজ্ঞাপন স্থানীয় সময় বুধবার (২২ অক্টোবর) নিউইয়র্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের চেয়ে ভারত আয়তনে ২৬ গুণ বড় দেশ। তাদের সম্পদ, জনশক্তি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি। আমরা তাদের অবস্থান বিবেচনায় সম্মান করি। তবে আমাদের ছোট ভূখণ্ড ও প্রায় ১৮ কোটি মানুষের অস্তিত্বকেও তাদের সম্মান করতে হবে। দিস ইজ আওয়ার ডিমান্ড। যদি তা হয়, তাহলে দুই প্রতিবেশী শুধু ভালোই থাকব না, বরং এক প্রতিবেশীর কারণে অন্য প্রতিবেশীও বিশ্ব দরবারে সম্মানিত হবে। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন ভিন্ন ধর্মের মানুষের অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত প্রায় দেড় বছরে আমাদের কার্যক্রমের মধ্যদিয়েই আমরা এর জবাব দিয়েছি। একটা বিষয় একেবারে পরিষ্কার করতে চাই, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের অভিবাসন ঘটেছে, মুসলমানদেরও। আমরা জোর করে কোনো কিছু বন্ধের পক্ষে নই, আবার জোর করে কাউকে দেশ থেকে তাড়ানোর পক্ষেও নই। তিনি আরও বলেন, আমরা মেজরিটি ও মাইনোরিটি ধারণায় বিশ্বাস করি না। আমরা বলি ‘উই নিড ইউনিটি’। মেজরিটি-মাইনোরিটি বলা মানেই বিভাজন তৈরি করা, যা একদল অন্য দলের মুখোমুখি দাঁড় করায়। গত ৫৪ বছর ধরে আমরা এর ভয়াবহতা দেখেছি, আমরা আর তা দেখতে চাই না। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও সভ্যতার ভিত্তিতে যুগের পর যুগ আমরা মিলেমিশে বসবাসের যে ঐতিহ্য গড়ে তুলেছি, সেটিকেই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। যে কয়েকটি কালো দাগ পড়েছে, সেগুলো উপড়ে ফেলবো ইনশাআল্লাহ, যেন দল ও ধর্মের বিভাজনে জাতি আর বিভক্ত না হয়। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন জামায়াত আমির বলেন, আমরা অনুভব করি, কেউ যদি গত ৫৪ বছরে অন্য কারও সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে থাকে এবং তার প্রমাণ থাকে, তবে আমরা সেই সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার পক্ষে- এটিই আমাদের অবস্থান। জাগোনিউজের খবর পেতে ফলো করুন

সভায় নিউইয়র্কে অবস্থানরত বাংলাদেশি সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।