থাইল্যান্ডে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের ওপর বিশালাকার ক্রেন ভেঙে পড়ার ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ আরও অন্তত ৫০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৯টার দিকে ট্রেনটি যখন গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি ক্রেন আকস্মিকভাবে সেটির ওপর ভেঙে পড়ে। এতে ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায় এবং অন্য একটি বগিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে এবং সেখানে জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। হতাহতদের একটি বড় অংশই শিক্ষার্থী এবং কর্মজীবী মানুষ বলে জানা গেছে।
থাই সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটি অন্তত ১৯৫ জন যাত্রী নিয়ে ব্যাংকক থেকে উত্তর-পূর্ব থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল। পথিমধ্যে এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ট্রেনটি।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ভেঙে পড়া ক্রেনটি থাইল্যান্ড ও চীনের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন একটি উচ্চ-গতির রেল প্রকল্পের নির্মাণকাজে নিয়োজিত ছিল। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এবং সঠিক তদন্ত নিশ্চিত করতে রেলওয়ে গভর্নরকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে থাইল্যান্ড সরকার। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















