মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি উপেক্ষা করে ইরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে রাশিয়া। মস্কোর সাফ কথা, ওয়াশিংটনের নেওয়া কোনো পদক্ষেপই তেহরানের সঙ্গে রাশিয়ার বিদ্যমান বাণিজ্যিক চুক্তিতে প্রভাব ফেলতে পারবে না।
সম্প্রতি মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এ অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে রাশিয়ার যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব রয়েছে, তা বাস্তবায়নে মস্কো অবিচল থাকবে। লাভরভ বলেন, “আমাদের অবশ্যই কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং ইরানসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক সহযোগীদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।”
মূলত ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা করতে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য পরিচালনাকারী দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ক্রেমলিন এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র যখন এ ধরনের ‘অপ্রীতিকর পদ্ধতি’ অবলম্বন করে, তখন এটিই প্রমাণিত হয় যে—আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বাজারে ওয়াশিংটনের অবস্থান ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র এখন অযৌক্তিক চাপের পথ বেছে নিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার আগে চীনও যুক্তরাষ্ট্রের এই শুল্ক বৃদ্ধির হুমকিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। বেইজিং স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের কোনো চাপের মুখে তারা ইরানের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক থেকে পিছিয়ে আসবে না। বিশ্বশক্তির এমন অবস্থানে ইরানের ওপর মার্কিন অর্থনৈতিক চাপের কার্যকারিতা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















