অপহরণের একদিন পর পঞ্চগড় থেকে শিকল দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গাজীপুরের বিটিসিএল মসজিদের ইমাম মুফতি মহিবুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার হিলিবোর্ডের নির্জন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর তাকে পঞ্চগড় সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৭ মাস আগে মুফতি ইমাম ও তার পরিবারের সদস্যদের উড়ো চিঠির মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সবশেষ ২১ অক্টোবর (মঙ্গলবার) তাকে আবারও উড়ো চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়।
গতকাল বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে তিনি বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। ওই সময় টঙ্গী পূর্ব থানার টিএনটি বার্জা জামে মসজিদের সামনে থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে বেশ কয়েকজন নেমে তার পথরোধ করে। এরপর অপহরণকারীরা তাকে জোর করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর মুখ-চোখ কালো কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে। পরে তাকে মারধরও করা হয়।
পরে তার খোঁজ না পেয়ে থানায় অভিযোগ করেন তার ছেলে আব্দুল্লাহ। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন যে, তার বাবাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হুমকি দিয়ে আসছিল। একপর্যায়ে পঞ্চগড়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।
পঞ্চগড় সদর আধুনিক হাসপাতালের সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান জানান, মুফতি মহিবুল্লাহকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে সুস্থ আছেন।
এদিকে ইমামের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিতে হাসপাতালে ছুটে আসেন জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুনসী, জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির ইকবাল হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তার অপহরণের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ইসলামী শাসনতন্ত্র।
জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুনশী জানান, স্থানীয়দের ফোন পেয়ে মুফতি মহিবুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার অপহরণের ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
রিপোর্টারের নাম 



















