রাজনৈতিক অঙ্গনে এক কঠিন লড়াইয়ের পূর্বাভাস দিয়ে বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, সামনে যে কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে, তা মোকাবিলায় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রাজধানীর এক মিলনায়তনে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, “আজ আমাদের মধ্যে কোনো রাগ, অভিমান বা মনোনয়ন সংক্রান্ত ক্ষোভ পুষে রাখার সুযোগ নেই। কে প্রার্থী হতে পারলেন, আর কে পারলেন না – এসব ভুলে গিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।” এই ঐক্যের মাধ্যমেই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে পাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এজন্য এখন থেকেই কঠোর পরিশ্রমের প্রস্তুতি নিতে হবে।
প্রতিপক্ষকে কোনোভাবেই হালকাভাবে না নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে এই বিরোধী নেতা বলেন, “একসময় যারা আমাদের ছত্রছায়ায় ব্যাংক, বীমা, বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্মাসিউটিক্যালস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন, তারাই আজ আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এমনকি এমন প্রার্থীও আছেন, যার বৈধ মাসিক আয় হয়তো এক লাখ টাকাও নয়, অথচ তিনি প্রতিদিন চার-পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় করছেন। এই অর্থের উৎস সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত।” তিনি এই অদৃশ্য শত্রুদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে লড়াই করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো ঐক্যের মাধ্যমেই মোকাবিলা করতে হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘ঐক্য, ঐক্য, ঐক্য, আর সবার আগে বাংলাদেশ’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে সতর্ক করে বলেন, “যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ না থাকি, তবে সামনে আরও ভয়াবহ বিপদ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।” সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ ইকবালসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টারের নাম 
























