ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

হাসপাতালে যেতে অনীহা: ২ ঘণ্টা নাটকীয়তার পর ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলো সাবেক মন্ত্রী কামরুলকে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নাটকীয়তার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামকে। অসুস্থতার অজুহাতে প্রথমে আদালত কক্ষে আসতে অস্বীকৃতি জানালেও প্রসিকিউশনের কঠোর নির্দেশে প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাকে পিজি হাসপাতাল থেকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

বৃহস্পতিবার কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। কারাকর্তৃপক্ষ কামরুল ইসলামের অসুস্থতার কথা জানালেও প্রসিকিউশন সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে চিফ প্রসিকিউটরের মৌখিক নির্দেশে তাকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই বিপ্লবের সময় শেখ হাসিনা সরকারকে টিকিয়ে রাখতে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন উসকানিমূলক ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাদের প্ররোচনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার ও কারফিউ জারির মতো ঘটনা ঘটে, যার ফলে রাজধানীর বাড্ডা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অন্তত ২৩ জন প্রাণ হারান। এর আগে আসামিপক্ষ তাদের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করলেও প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অপরাধের তথ্য তুলে ধরে বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় জড়িত ভিপি ইমির জামিন মঞ্জুর

হাসপাতালে যেতে অনীহা: ২ ঘণ্টা নাটকীয়তার পর ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলো সাবেক মন্ত্রী কামরুলকে

আপডেট সময় : ০১:২১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নাটকীয়তার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামকে। অসুস্থতার অজুহাতে প্রথমে আদালত কক্ষে আসতে অস্বীকৃতি জানালেও প্রসিকিউশনের কঠোর নির্দেশে প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাকে পিজি হাসপাতাল থেকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

বৃহস্পতিবার কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। কারাকর্তৃপক্ষ কামরুল ইসলামের অসুস্থতার কথা জানালেও প্রসিকিউশন সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে চিফ প্রসিকিউটরের মৌখিক নির্দেশে তাকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই বিপ্লবের সময় শেখ হাসিনা সরকারকে টিকিয়ে রাখতে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন উসকানিমূলক ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাদের প্ররোচনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার ও কারফিউ জারির মতো ঘটনা ঘটে, যার ফলে রাজধানীর বাড্ডা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অন্তত ২৩ জন প্রাণ হারান। এর আগে আসামিপক্ষ তাদের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করলেও প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অপরাধের তথ্য তুলে ধরে বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানায়।