ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ে এনসিপির সর্বাত্মক কৌশল: প্রার্থী ও ‘অ্যাম্বাসেডর’ দিয়ে দেশব্যাপী প্রচারণা

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে নিরঙ্কুশ জনসমর্থন নিশ্চিত করতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি সুদূরপ্রসারী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দলটির এই কৌশল দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত, যার লক্ষ্য দেশের প্রতিটি প্রান্তে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক এবং নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহবুব আলমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন কর্মপদ্ধতির বিস্তারিত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব নির্বাচনী আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরাই ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণার মূল নেতৃত্ব দেবেন। তারা সরাসরি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে দলের অবস্থান ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরবেন। স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীরাই প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবেন।

অন্যদিকে, যে ২৭০টি আসনে এনসিপির কোনো প্রার্থী নেই, সেখানে দল ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ দেবে। এসব প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে এনসিপির রাজনৈতিক দর্শন, গণভোটের প্রয়োজনীয়তা এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করবেন। তাদের মাধ্যমে প্রার্থীবিহীন আসনগুলোতেও দলের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।

এনসিপি আশা করছে, এই দ্বিমুখী কৌশলের মাধ্যমে তারা দেশজুড়ে একটি শক্তিশালী প্রচারণার জাল বুনতে সক্ষম হবে। এর ফলে প্রতিটি আসনে, তা প্রার্থী-সমৃদ্ধ হোক বা না হোক, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং গণভোটের ফলাফল দলের অনুকূলে আসবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ে এনসিপির সর্বাত্মক কৌশল: প্রার্থী ও ‘অ্যাম্বাসেডর’ দিয়ে দেশব্যাপী প্রচারণা

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে নিরঙ্কুশ জনসমর্থন নিশ্চিত করতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি সুদূরপ্রসারী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দলটির এই কৌশল দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত, যার লক্ষ্য দেশের প্রতিটি প্রান্তে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক এবং নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহবুব আলমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন কর্মপদ্ধতির বিস্তারিত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব নির্বাচনী আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরাই ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণার মূল নেতৃত্ব দেবেন। তারা সরাসরি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে দলের অবস্থান ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরবেন। স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীরাই প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবেন।

অন্যদিকে, যে ২৭০টি আসনে এনসিপির কোনো প্রার্থী নেই, সেখানে দল ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ দেবে। এসব প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে এনসিপির রাজনৈতিক দর্শন, গণভোটের প্রয়োজনীয়তা এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করবেন। তাদের মাধ্যমে প্রার্থীবিহীন আসনগুলোতেও দলের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।

এনসিপি আশা করছে, এই দ্বিমুখী কৌশলের মাধ্যমে তারা দেশজুড়ে একটি শক্তিশালী প্রচারণার জাল বুনতে সক্ষম হবে। এর ফলে প্রতিটি আসনে, তা প্রার্থী-সমৃদ্ধ হোক বা না হোক, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং গণভোটের ফলাফল দলের অনুকূলে আসবে।