ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ধর্মীয় নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে গণভোটের প্রচারণার পরিকল্পনা সরকারের

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক গণভোটের বিষয়বস্তু সাধারণ মানুষের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে সরকারের সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। রোববার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট বিষয়ক জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক ড. আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক এবং বিভাগীয় কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মশালাগুলোর মূল লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ধারণা ও প্রস্তুতি প্রদান করা, যাতে তারা তৃণমূল পর্যায়ের ভোটারদের গণভোট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেন। এর পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মাঝে তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হবে। জনসচেতনতা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ধর্মীয় নেতাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশিক্ষিত এই ধর্মীয় নেতারা তাদের নিজ নিজ এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের গুরুত্ব ও এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবেন।

সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভাগীয় কমিশনারদের সহায়তায় প্রতিটি বিভাগে সভা অনুষ্ঠিত হবে যেখানে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। সচিবরা তাদের নিজ নিজ দপ্তরের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি সভায় উপস্থাপন করেন। সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটকে একটি অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রূপ দেওয়া, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের মৌলিক ইস্যুতে জনগণের সরাসরি রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে টানা ৪৮ দিন ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট: বিপর্যয়ে জনজীবন

ধর্মীয় নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে গণভোটের প্রচারণার পরিকল্পনা সরকারের

আপডেট সময় : ০৩:২৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক গণভোটের বিষয়বস্তু সাধারণ মানুষের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে সরকারের সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। রোববার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট বিষয়ক জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক ড. আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক এবং বিভাগীয় কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মশালাগুলোর মূল লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ধারণা ও প্রস্তুতি প্রদান করা, যাতে তারা তৃণমূল পর্যায়ের ভোটারদের গণভোট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেন। এর পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মাঝে তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হবে। জনসচেতনতা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ধর্মীয় নেতাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশিক্ষিত এই ধর্মীয় নেতারা তাদের নিজ নিজ এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের গুরুত্ব ও এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবেন।

সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভাগীয় কমিশনারদের সহায়তায় প্রতিটি বিভাগে সভা অনুষ্ঠিত হবে যেখানে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। সচিবরা তাদের নিজ নিজ দপ্তরের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি সভায় উপস্থাপন করেন। সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটকে একটি অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রূপ দেওয়া, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের মৌলিক ইস্যুতে জনগণের সরাসরি রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।