প্রায় ছয় দশকের বঞ্চনা শেষে অবশেষে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও নাগরিকত্ব পেতে যাচ্ছেন সিরিয়ার কুর্দিরা। ১৯৬২ সালের এক বিতর্কিত আদমশুমারির পর থেকে কয়েক প্রজন্ম ধরে তারা নিজ দেশে রাষ্ট্রহীন নাগরিক হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি সিরিয়া সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিকত্ব নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়ার পর সারা দেশের নিবন্ধন কেন্দ্রগুলোতে কুর্দি জনগোষ্ঠীর মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারারের এক বিশেষ ডিক্রির পর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই আদেশের ফলে কেবল নাগরিকত্বই নয়, বরং কুর্দিদের সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত অধিকারের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কুর্দি ভাষা সিরিয়ার অন্যতম জাতীয় ভাষা হিসেবে বিবেচিত হবে। এর আগে নাগরিকত্ব না থাকায় কুর্দিরা স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়, সরকারি চাকরি, উচ্চশিক্ষা এবং অবাধে ভ্রমণের মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপের ফলে সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। দীর্ঘদিন ধরে চলা অস্থিরতা কাটিয়ে কুর্দি প্রশাসনকে কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন কেন্দ্রগুলোতে আসা সাধারণ মানুষ এই উদ্যোগকে নতুন জীবনের শুরু হিসেবে দেখছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























