ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যে রোগ থাকলে সহজে ভাঙা হাড় জোড়া লাগে না

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

বয়স বাড়া বা ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে আমাদের হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। এই অবস্থাকে বলা হয় অস্টিওপোরোসিস। এই রোগ থাকলে সামান্য আঘাতেই হাড় ভেঙে যায়, আর তা সহজে জোড়া লাগতে চায় না।

আজ (২০ অক্টোবর) বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস। দিবসটির উদ্দেশ্য হলো মানুষকে হাড়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করা, কারণ সহজ জীবনযাত্রার পরিবর্তন এনে হাড়কে দীর্ঘদিন মজবুত রাখা সম্ভব। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. এম ইয়াছিন আলী।

ডা. ইয়াছিন আলী বলেন, এই রোগকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়, কারণ এর কোনো প্রাথমিক উপসর্গ থাকে না। হাড়ের ঘনত্ব যদি একটি নির্দিষ্ট স্কোরের (২.৫ বা তার বেশি) চেয়ে কমে যায়, তবে তাকে অস্টিওপোরোসিস বলা হয়। এই রোগ হলে হাড়ের ক্ষয় হতে থাকে, ফলে হাড় ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগানোর প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে যায়।

এই রোগে নারীরা বেশি আক্রান্ত হন, বিশেষ করে মেনোপজের পর। বয়স্করা এই রোগে আক্রান্ত হলে অনেক সময় পঙ্গুত্ব বরণ করতে পারেন। তাই ৪৫ বছরের ওপরের নারী ও ৫০ বছরের ওপরের পুরুষদের নিয়মিত বোন মিনারেল ডেনসিটি (বিএমডি) টেস্ট করানো উচিত।

হাড় ক্ষয়ের কারণ হিসেবে তিনি আধুনিক অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস (ফাস্টফুড, জাঙ্কফুড) এবং শারীরিক কার্যকলাপের অভাবকে দায়ী করেন। হাড়কে শক্তিশালী রাখতে প্রতিদিন আধা ঘণ্টা হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটার মতো ব্যায়াম করা জরুরি। খাদ্যতালিকায় টকদই, ছোট মাছ, ডিমের সাদা অংশ ও শাকসবজির পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে কিছুটা সময় সূর্যের আলোতে থাকাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের বি’রু’দ্ধে হুঁ’শি’য়া’রি উচ্চারণ ওমানের

যে রোগ থাকলে সহজে ভাঙা হাড় জোড়া লাগে না

আপডেট সময় : ১১:১১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

বয়স বাড়া বা ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে আমাদের হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। এই অবস্থাকে বলা হয় অস্টিওপোরোসিস। এই রোগ থাকলে সামান্য আঘাতেই হাড় ভেঙে যায়, আর তা সহজে জোড়া লাগতে চায় না।

আজ (২০ অক্টোবর) বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস। দিবসটির উদ্দেশ্য হলো মানুষকে হাড়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করা, কারণ সহজ জীবনযাত্রার পরিবর্তন এনে হাড়কে দীর্ঘদিন মজবুত রাখা সম্ভব। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. এম ইয়াছিন আলী।

ডা. ইয়াছিন আলী বলেন, এই রোগকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়, কারণ এর কোনো প্রাথমিক উপসর্গ থাকে না। হাড়ের ঘনত্ব যদি একটি নির্দিষ্ট স্কোরের (২.৫ বা তার বেশি) চেয়ে কমে যায়, তবে তাকে অস্টিওপোরোসিস বলা হয়। এই রোগ হলে হাড়ের ক্ষয় হতে থাকে, ফলে হাড় ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগানোর প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে যায়।

এই রোগে নারীরা বেশি আক্রান্ত হন, বিশেষ করে মেনোপজের পর। বয়স্করা এই রোগে আক্রান্ত হলে অনেক সময় পঙ্গুত্ব বরণ করতে পারেন। তাই ৪৫ বছরের ওপরের নারী ও ৫০ বছরের ওপরের পুরুষদের নিয়মিত বোন মিনারেল ডেনসিটি (বিএমডি) টেস্ট করানো উচিত।

হাড় ক্ষয়ের কারণ হিসেবে তিনি আধুনিক অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস (ফাস্টফুড, জাঙ্কফুড) এবং শারীরিক কার্যকলাপের অভাবকে দায়ী করেন। হাড়কে শক্তিশালী রাখতে প্রতিদিন আধা ঘণ্টা হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটার মতো ব্যায়াম করা জরুরি। খাদ্যতালিকায় টকদই, ছোট মাছ, ডিমের সাদা অংশ ও শাকসবজির পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে কিছুটা সময় সূর্যের আলোতে থাকাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।