ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সায়েদুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁর পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেন এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি ছিল কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার দ্বিতীয় পদত্যাগের ঘটনা। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী খোদা বকশ চৌধুরীও পদত্যাগ করেছিলেন। ড. সায়েদুর রহমানের পদত্যাগের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা না গেলেও, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রশাসনের ওপর বাড়তে থাকা চাপের বিষয়টিকে অনেকে কারণ হিসেবে দেখছিলেন।
তবে এই পদত্যাগের ঘটনাটি ছিল সাময়িক এবং অনেকটা আইনি বাধ্যবাধকতার অংশ। ড. সায়েদুর রহমান বিএসএমএমইউ (BSMMU) থেকে তাঁর অবসরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্যই মূলত পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। অবসরের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাঁকে পুনরায় একই পদে এবং একই মর্যাদায় (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) নিয়োগ প্রদান করা হয়।
নতুন প্রজ্ঞাপনে তাঁকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতাও প্রদান করা হয়েছে। অধ্যাপক সায়েদুর রহমান বিএসএমএমইউ-এর সাবেক উপাচার্য এবং একজন প্রখ্যাত ফার্মাকোলজিস্ট হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর তিনি প্রথমবার অন্তর্বর্তী সরকারের এই বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























