ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ, প্রার্থিতা প্রত্যাহার, প্রার্থীর মৃত্যু এবং ‘না ভোট’ সংক্রান্ত বিস্তারিত পরিপত্র জারি করে রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠিয়েছে।
২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং তার পরদিন ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। বর্তমানে ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জন্য সংরক্ষিত প্রতীকের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ৫৬টি প্রতীক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জোটবদ্ধ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী একই প্রতীক দাবি করলে লটারির মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা হবে। তবে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী যদি সাবেক সংসদ সদস্য হয়ে থাকেন, তবে তিনি প্রতীক বরাদ্দে অগ্রাধিকার পাবেন। কোনো আসনের বৈধ প্রার্থী মারা গেলে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নতুন তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।
তবে এক্ষেত্রে আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা বা জামানতের অর্থ প্রদান করতে হবে না। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ঋণখেলাপি, ফৌজদারি মামলা এবং কর ফাঁকির তথ্য যাচাইয়ের জন্য ব্যাংক, পুলিশ ও রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে দলগুলোর জন্য বিশেষ নিয়ম রাখা হয়েছে। কোনো দল এক আসনে একাধিক প্রার্থীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিলে ২০ জানুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম রিটার্নিং অফিসারকে জানাতে হবে; অন্যথায় সংশ্লিষ্ট দলের সবার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাবে।
এছাড়া এবার ‘না ভোট’ এর বিধান রাখা হয়েছে। যদি কোনো আসনে মাত্র একজন প্রার্থী থাকেন, তবে সেখানে ‘না ভোট’ এর লড়াই হবে। প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ‘না ভোটের’ চেয়ে কম হলে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে।
তবে দ্বিতীয়বারও যদি একই পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং ‘না ভোট’ বেশি পড়ে, তবুও একমাত্র বৈধ প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 























