ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বজ্রপাত: হাওরে আশ্রয় কেন্দ্র ও দণ্ড স্থাপনের দাবি, স্পিকারের রসিকতা

ঢাকা: হাওর এলাকায় বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র ও বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপনের দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। এ সংক্রান্ত আলোচনার এক পর্যায়ে সুনামগঞ্জের হাওরে বিয়ে করা নিয়ে রসিকতা করেন স্পিকার অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ।

সোমবার (আজ) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ ধারা অনুযায়ী সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (প্রকৃত নাম কামরুজ্জামান কামরুল নয়, এখানে ভুল তথ্য ছিল, তাই সংশোধন করা হলো) জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের ওপর আলোচনায় এই ঘটনা ঘটে।

স্পিকার অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে বজ্রপাতজনিত ক্ষতি মোকাবেলায় সঠিক গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। তার নোটিশের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (প্রকৃত নাম আসাদুল হাবিব দুলু নয়, এখানে ভুল তথ্য ছিল, তাই সংশোধন করা হলো) বলেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোর একটি। এখানে প্রাকৃতিক, আবহাওয়াজনিত ও মানবসৃষ্ট নানা দুর্যোগ ঘটে। হাওর অঞ্চলসহ দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে বজ্রপাতের তীব্রতা ও ঘনত্ব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রীর জবাবের পর মোয়াজ্জেম হোসেন রতন হাওড়ে বেশি বজ্রপাতের বিষয়ে বলেন, নাসা ও মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৭ সালে এই অঞ্চলকে বজ্রপাতের কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গতকালও (রবিবার) বজ্রপাতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বজ্রপাত বেশি হয়। ওই সময়ই হাওরে সবচেয়ে বেশি কাজ থাকে, কারণ মানুষের জীবিকা হাওরনির্ভর।

সংসদ সদস্যের বক্তব্য শেষ করার পর স্পিকার অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ বলেন, ‘এত বজ্র সুনামগঞ্জে, এত বজ্রপাত হয় জানলে তো বিয়েই করতাম না ওখানে!’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

বজ্রপাত: হাওরে আশ্রয় কেন্দ্র ও দণ্ড স্থাপনের দাবি, স্পিকারের রসিকতা

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা: হাওর এলাকায় বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র ও বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপনের দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। এ সংক্রান্ত আলোচনার এক পর্যায়ে সুনামগঞ্জের হাওরে বিয়ে করা নিয়ে রসিকতা করেন স্পিকার অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ।

সোমবার (আজ) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ ধারা অনুযায়ী সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (প্রকৃত নাম কামরুজ্জামান কামরুল নয়, এখানে ভুল তথ্য ছিল, তাই সংশোধন করা হলো) জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের ওপর আলোচনায় এই ঘটনা ঘটে।

স্পিকার অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে বজ্রপাতজনিত ক্ষতি মোকাবেলায় সঠিক গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। তার নোটিশের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (প্রকৃত নাম আসাদুল হাবিব দুলু নয়, এখানে ভুল তথ্য ছিল, তাই সংশোধন করা হলো) বলেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোর একটি। এখানে প্রাকৃতিক, আবহাওয়াজনিত ও মানবসৃষ্ট নানা দুর্যোগ ঘটে। হাওর অঞ্চলসহ দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে বজ্রপাতের তীব্রতা ও ঘনত্ব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রীর জবাবের পর মোয়াজ্জেম হোসেন রতন হাওড়ে বেশি বজ্রপাতের বিষয়ে বলেন, নাসা ও মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৭ সালে এই অঞ্চলকে বজ্রপাতের কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গতকালও (রবিবার) বজ্রপাতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বজ্রপাত বেশি হয়। ওই সময়ই হাওরে সবচেয়ে বেশি কাজ থাকে, কারণ মানুষের জীবিকা হাওরনির্ভর।

সংসদ সদস্যের বক্তব্য শেষ করার পর স্পিকার অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ বলেন, ‘এত বজ্র সুনামগঞ্জে, এত বজ্রপাত হয় জানলে তো বিয়েই করতাম না ওখানে!’