আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেশের ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মোট ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সারা দেশে ৪৭৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০০টি সংসদীয় আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে সর্বমোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। বর্তমান সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ মোট ৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে না। বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫৯টি হলেও আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় তারা ভোটের বাইরে রয়েছে।
ইসির দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩৩১ জন প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সংখ্যা ২৭৬ জন এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৬৮ জন প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দলগুলোর মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাপা) ২২৪ জন, গণঅধিকার পরিষদের ১০৪ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৪৪ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহের তুলনায় জমার হার কিছুটা কম হলেও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা তাঁদের নথিপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে জমা দিয়েছেন। যদিও সারা দেশে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনেই বেশ কিছু প্রার্থীর আবেদন বাতিল হয়েছে, তবে ইসি এখনো বাতিলের সুনির্দিষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেনি।
তফসিল অনুযায়ী, দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রগুলোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হবে, তাঁরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন এবং ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে সেসব আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনের মূল প্রচারণা শুরু হবে। সব প্রস্তুতি শেষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























