ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

শেরপুর জেলায় আগামী ২০ এপ্রিল থেকে বড় আকারের হাম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। ১০ মে পর্যন্ত চলমান ১১ দিনের এই বিশেষ কার্যক্রমে জেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। মোট ১ হাজার ৩৩৫টি টিকাদান কেন্দ্রে ১৯১ জন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এই কর্মসূচি সফল করতে কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহিন। তিনি জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ৮২ জন সম্ভাব্য হাম রোগী শনাক্ত হলেও ল্যাব পরীক্ষায় এখনো কারও পজিটিভ রিপোর্ট আসেনি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সাধারণ শিশুদের পাশাপাশি স্কুল পর্যায়ের ৭৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীকেও এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অধিকার রক্ষাই বর্তমান সংসদের মূল লক্ষ্য: ডেপুটি স্পিকার

শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুর জেলায় আগামী ২০ এপ্রিল থেকে বড় আকারের হাম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। ১০ মে পর্যন্ত চলমান ১১ দিনের এই বিশেষ কার্যক্রমে জেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। মোট ১ হাজার ৩৩৫টি টিকাদান কেন্দ্রে ১৯১ জন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এই কর্মসূচি সফল করতে কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহিন। তিনি জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ৮২ জন সম্ভাব্য হাম রোগী শনাক্ত হলেও ল্যাব পরীক্ষায় এখনো কারও পজিটিভ রিপোর্ট আসেনি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সাধারণ শিশুদের পাশাপাশি স্কুল পর্যায়ের ৭৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীকেও এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।