ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: নেপথ্যে কি পূর্বের হামলার প্রভাব?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় গিয়াস উদ্দিন নামে এক ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ খাসেরহাট বাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত গিয়াস উদ্দিন শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মৃত আ. মুনাফের ছেলে। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পারিবারিক ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ গাড়ি ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির হাতে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন। ওই ঘটনায় তার ছোট ভাই বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে মো. কাশেম ও তার ছেলেদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। হামলার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদে মানববন্ধনও পালন করেছিলেন।

নিহতের স্বজনদের দাবি, সেই হামলার পর গিয়াস উদ্দিন শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। মারধরের অভ্যন্তরীণ আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করছেন। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অধিকার রক্ষাই বর্তমান সংসদের মূল লক্ষ্য: ডেপুটি স্পিকার

তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: নেপথ্যে কি পূর্বের হামলার প্রভাব?

আপডেট সময় : ০৭:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় গিয়াস উদ্দিন নামে এক ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ খাসেরহাট বাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত গিয়াস উদ্দিন শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মৃত আ. মুনাফের ছেলে। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পারিবারিক ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ গাড়ি ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির হাতে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন। ওই ঘটনায় তার ছোট ভাই বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে মো. কাশেম ও তার ছেলেদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। হামলার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদে মানববন্ধনও পালন করেছিলেন।

নিহতের স্বজনদের দাবি, সেই হামলার পর গিয়াস উদ্দিন শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। মারধরের অভ্যন্তরীণ আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করছেন। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।