ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ কোটি মিটার অবৈধ জাল জব্দ, আটক ২৭৯

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং নদীবন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাত দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে নৌ পুলিশ। দেশজুড়ে পরিচালিত এই অভিযানে ৪ কোটি ৩২ লাখ ৭১ হাজার মিটারেরও বেশি নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের অভিযোগে ২৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নৌ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

অভিযানে বিপুল পরিমাণ জালের পাশাপাশি প্রায় ৪ হাজার ১৫৮ কেজি মাছ এবং ৬ লাখ ৫৭ হাজার পিস চিংড়ির রেণু উদ্ধার করা হয়। মাছের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় নদীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ১৩৩টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৮৩টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, জব্দকৃত অবৈধ জাল ও ক্ষতিকারক জেলীযুক্ত চিংড়ি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে উদ্ধারকৃত মাছ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ এবং চিংড়ির রেণু পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অধিকার রক্ষাই বর্তমান সংসদের মূল লক্ষ্য: ডেপুটি স্পিকার

নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ কোটি মিটার অবৈধ জাল জব্দ, আটক ২৭৯

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং নদীবন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাত দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে নৌ পুলিশ। দেশজুড়ে পরিচালিত এই অভিযানে ৪ কোটি ৩২ লাখ ৭১ হাজার মিটারেরও বেশি নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের অভিযোগে ২৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নৌ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

অভিযানে বিপুল পরিমাণ জালের পাশাপাশি প্রায় ৪ হাজার ১৫৮ কেজি মাছ এবং ৬ লাখ ৫৭ হাজার পিস চিংড়ির রেণু উদ্ধার করা হয়। মাছের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় নদীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ১৩৩টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৮৩টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, জব্দকৃত অবৈধ জাল ও ক্ষতিকারক জেলীযুক্ত চিংড়ি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে উদ্ধারকৃত মাছ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ এবং চিংড়ির রেণু পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।