বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে বিশ্ব রাজনীতি। বাংলাদেশের আধুনিক ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক যাত্রায় তাঁর অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো গভীর শোক প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জীবনাবসান ঘটে। তাঁর মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও জানাজার দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান তাঁর মায়ের প্রয়াণে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি তাঁর মাকে ‘মাদার অব বাংলাদেশ’ বা ‘বাংলাদেশের মা’ এবং ‘গণতন্ত্রের মাতা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তারেক রহমান বলেন, একজন আপসহীন রাজনৈতিক নেত্রীর বাইরেও তিনি ছিলেন এক মমতাময়ী মা, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে চরম জুলুম ও নির্যাতন অম্লান বদনে সহ্য করেছেন। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও এক সন্তানকে হারানোর পর বাংলাদেশের সাধারণ মানুষই তাঁর পরিবার হয়ে উঠেছিল বলে তারেক রহমান তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির উন্নয়ন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে তাঁর অবদান সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং খালেদা জিয়াকে চীনা জনগণের একজন ‘পুরনো বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি পৃথক বার্তায় তাঁকে পাকিস্তানের একজন একনিষ্ঠ বন্ধু এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের কারিগর হিসেবে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া মার্কিন দূতাবাস, যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























