ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে ১০ দফা ঘোষণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

যথাযথ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত না করে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে হকার উচ্ছেদ বন্ধসহ ১০ দফা দাবিতে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান। তারা বলেন, উচ্ছেদের নামে প্রতিদিন হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর মালামাল নষ্ট ও লুটপাট করা হচ্ছে, যা অমানবিক।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকাসহ সারাদেশে হকারদের ওপর নির্মম অভিযান চালিয়ে তাদের রুটি-রুজির পথ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় এখন তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হচ্ছেন। হকারদের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় অবিলম্বে একটি বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

তাদের উত্থাপিত ১০ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—হকারদের অর্থনৈতিক অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, চাঁদাবাজি বন্ধ করে সরকারি রাজস্ব আদায়, প্রকৃত হকারদের তালিকা তৈরি এবং ৫ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ। সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দেন যে, দাবি আদায় না হলে দেশের সকল হকারদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের বিমা সুবিধা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংক ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চুক্তি

পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে ১০ দফা ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যথাযথ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত না করে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে হকার উচ্ছেদ বন্ধসহ ১০ দফা দাবিতে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান। তারা বলেন, উচ্ছেদের নামে প্রতিদিন হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর মালামাল নষ্ট ও লুটপাট করা হচ্ছে, যা অমানবিক।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকাসহ সারাদেশে হকারদের ওপর নির্মম অভিযান চালিয়ে তাদের রুটি-রুজির পথ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় এখন তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হচ্ছেন। হকারদের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় অবিলম্বে একটি বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

তাদের উত্থাপিত ১০ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—হকারদের অর্থনৈতিক অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, চাঁদাবাজি বন্ধ করে সরকারি রাজস্ব আদায়, প্রকৃত হকারদের তালিকা তৈরি এবং ৫ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ। সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দেন যে, দাবি আদায় না হলে দেশের সকল হকারদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।