পাঁচটি পৃথক মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় রোববার (১৯ অক্টোবর) তার আইনজীবী আবেদনটি জমা দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার (২০ অক্টোবর) শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক গত ২৪ জুলাই গ্রেফতার হন এবং বর্তমানে তিনি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। তার পক্ষে আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, মুনসুর আলী চৌধুরী, এম কে রহমান, সৈয়দ মঞ্জুর মোরশেদ ও মোনায়েম নবী শাহীনের শুনানিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মামলার মধ্যে রয়েছে—রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা; শাহবাগ, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও ফতুল্লা থানায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারবিষয়ক রায় জালিয়াতির মামলা; এবং রাজউকের প্লট কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের মামলা। এসব মামলায় বিচারিক আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।
হত্যা মামলায় জামিনের আবেদনে বলা হয়, যে তারিখে হত্যার ঘটনা দেখানো হয়েছে, সেদিন পর্যন্ত খায়রুল হক আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তিনি পুলিশ প্রোটোকল ছাড়া কোথাও যাননি। পুলিশের মুভমেন্ট ডায়েরি অনুযায়ী তিনি সেদিন বাড়িতে ছিলেন।
রায় জালিয়াতির মামলায় জামিনের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারবিষয়ক মামলার রায়ের সময় আপিল বিভাগে সাতজন বিচারক ছিলেন এবং সবাই মিলেই এ রায় দিয়েছেন। একজন বিচারকের পক্ষে এককভাবে রায় দেওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া, রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিচারককে জোর করা হয়নি এবং ওই সব বিচারপতি এত দিনেও এ বিষয়ে কোনো আপত্তি জানাননি।
দুদকের মামলায় জামিনের আবেদনে বলা হয়, মামলায় রাজউকের পূর্বাচল প্লটের জন্য সময়মতো কিস্তি না দেওয়ায় চার লাখ ৭৪ হাজার ২৩০ টাকা সুদ মওকুফের অভিযোগ আনা হয়েছে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে। তবে তিনি নিজে সুদ মওকুফের জন্য আবেদন করেননি। আর সুদ মওকুফ একটি আইনগত বিষয়, এটি ফৌজদারি অপরাধ নয়।
রিপোর্টারের নাম 
























