২০২৫ সালে পাকিস্তানের বৈশ্বিক কূটনৈতিক তৎপরতার একটি সামগ্রিক পর্যালোচনা তুলে ধরেছেন দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। এই কূটনৈতিক সারসংক্ষেপে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে তিনি একটি বড় ধরনের ‘আইস-ব্রেকিং’ বা বরফ গলার মতো ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের এই নতুন মোড় লক্ষ্য করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তার সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে জানান, সেখানে কাটানো ৩৬ ঘণ্টায় তিনি পাকিস্তানের প্রতি বাংলাদেশের সদিচ্ছার চমৎকার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করেছেন। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে আগামী সাধারণ নির্বাচনের পর ইসলামাবাদ ঢাকার সাথে আরও সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলবে। ২০১২ সালে হিনা রব্বানী খারের সফরের কথা টেনে তিনি বলেন, তৎকালীন সরকারের নীতিগত অবস্থানের কারণে তখন কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব না হলেও বর্তমানে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে।
ইসহাক দার তার ঢাকা সফরের গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে জানান, সেখানে তিনি প্রধান উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সদস্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। তিনি মনে করেন, প্রতিকূল সময়েও পাকিস্তান যে সক্রিয় কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেছে, এটি তারই সফল প্রতিফলন। পাকিস্তানের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, নীতিনিষ্ঠ অবস্থান এবং কার্যকর বার্তার মাধ্যমে তারা চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন, যা দুই দেশের আগামীর পথচলাকে আরও সুগম করবে।
রিপোর্টারের নাম 























