ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

গণঅধিকারের রাশেদ খানের মনোনয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপির জোট থেকে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেছেন দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজের অনুসারীরা। 

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কালীগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে থানা রোডস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন, ‌‘বহিরাগতদের ঠিকানা, কালীগঞ্জে হবে না’। দূরে আসিছ দূরে যা, কালীগঞ্জে আছিস না’। পরে সমাবেশে কালীগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম সাইদুল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরেন। ফিরোজ ভাই আগামী ২৬ ডিসেম্বর কালীগঞ্জে এসে আপনাদের সঙ্গে কথা বলবেন। আপনারা কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না। মনোনয়ন পাওয়া রাশেদ খান বিএনপির লোক না। আপনারা বিএনপির কোনও ব্যক্তির সঙ্গে গোলযোগ করবেন না। মনোনয়ন পরিবর্তন হতেও পারে।’

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঝিনাইদহ-৪ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে ছিলেন বিএনপির তিন নেতা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয়ভাবে আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খানের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। রাশেদ খানকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-৪ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের অনুসারী নেতাকর্মীরা শহরে বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়া প্রতিবাদ সমাবেশ করেন আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদের অনুসারীরা। একইভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি শহিদুজ্জামান বেল্টুর স্ত্রী মুর্শিদা জামান। তারা নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু তাদের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

ফরহাদ হোসেন নামের এক বিএনপি কর্মী বলেন, ‘দুঃসময়ে যারা বিএনপির হাল ধরে রেখেছিল তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তাই আমি কান ধরে দল না করার সিদ্ধান্ত নিলাম।’

/এএম/

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকাসক্ত বাবার হাতে ৭ মাসের শিশু খুন: ভৈরবে চাঞ্চল্য

গণঅধিকারের রাশেদ খানের মনোনয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপির জোট থেকে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেছেন দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজের অনুসারীরা। 

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কালীগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে থানা রোডস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন, ‌‘বহিরাগতদের ঠিকানা, কালীগঞ্জে হবে না’। দূরে আসিছ দূরে যা, কালীগঞ্জে আছিস না’। পরে সমাবেশে কালীগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম সাইদুল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরেন। ফিরোজ ভাই আগামী ২৬ ডিসেম্বর কালীগঞ্জে এসে আপনাদের সঙ্গে কথা বলবেন। আপনারা কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না। মনোনয়ন পাওয়া রাশেদ খান বিএনপির লোক না। আপনারা বিএনপির কোনও ব্যক্তির সঙ্গে গোলযোগ করবেন না। মনোনয়ন পরিবর্তন হতেও পারে।’

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঝিনাইদহ-৪ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে ছিলেন বিএনপির তিন নেতা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয়ভাবে আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খানের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। রাশেদ খানকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-৪ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের অনুসারী নেতাকর্মীরা শহরে বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়া প্রতিবাদ সমাবেশ করেন আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদের অনুসারীরা। একইভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি শহিদুজ্জামান বেল্টুর স্ত্রী মুর্শিদা জামান। তারা নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু তাদের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

ফরহাদ হোসেন নামের এক বিএনপি কর্মী বলেন, ‘দুঃসময়ে যারা বিএনপির হাল ধরে রেখেছিল তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তাই আমি কান ধরে দল না করার সিদ্ধান্ত নিলাম।’

/এএম/