ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ সীমান্তে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়ার পরিকল্পনা ভারতের, বিএসএফের ভেতরেই তীব্র বিতর্ক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের যেসব নদী এলাকায় এখনো কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেখানে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়ার একটি বিতর্কিত প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যেই তীব্র মতভেদ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বাহিনীর অনেক কর্মকর্তাই এই উদ্যোগকে অবাস্তব ও বিপজ্জনক বলে মনে করছেন।

বিএসএফের সাবেক মহাপরিচালক প্রকাশ সিং এই প্রস্তাবের কঠোর সমালোচনা করে একে একটি ‘নির্বোধ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, একটি বন্যপ্রাণী কীভাবে বুঝবে কে অনুপ্রবেশকারী আর কে স্থানীয় গ্রামবাসী। বিশেষ করে বন্যার সময় এই হিংস্র প্রাণীগুলো লোকালয়ে ঢুকে পড়লে সাধারণ মানুষের জীবনের ঝুঁকি চরম মাত্রায় পৌঁছাবে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের নামে এমন পদক্ষেপ হিতে বিপরীত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবে এই প্রস্তাবটি নিয়ে গুরুত্বের সাথে ভাবছে। তবে বিএসএফের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নদীবেষ্টিত ও দুর্গম সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার না করে এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার ডিনস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত ১৩ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ সীমান্তে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়ার পরিকল্পনা ভারতের, বিএসএফের ভেতরেই তীব্র বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৮:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের যেসব নদী এলাকায় এখনো কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেখানে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়ার একটি বিতর্কিত প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যেই তীব্র মতভেদ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বাহিনীর অনেক কর্মকর্তাই এই উদ্যোগকে অবাস্তব ও বিপজ্জনক বলে মনে করছেন।

বিএসএফের সাবেক মহাপরিচালক প্রকাশ সিং এই প্রস্তাবের কঠোর সমালোচনা করে একে একটি ‘নির্বোধ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, একটি বন্যপ্রাণী কীভাবে বুঝবে কে অনুপ্রবেশকারী আর কে স্থানীয় গ্রামবাসী। বিশেষ করে বন্যার সময় এই হিংস্র প্রাণীগুলো লোকালয়ে ঢুকে পড়লে সাধারণ মানুষের জীবনের ঝুঁকি চরম মাত্রায় পৌঁছাবে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের নামে এমন পদক্ষেপ হিতে বিপরীত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবে এই প্রস্তাবটি নিয়ে গুরুত্বের সাথে ভাবছে। তবে বিএসএফের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নদীবেষ্টিত ও দুর্গম সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার না করে এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।