ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অন্তত ছয়জন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। বুধবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ও গভীর রাতে বিজয় ৭১ হল এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে পৃথক দুই ঘটনায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- ইফতেখার সোহান সিফাত, আসাদুজ্জামান খান, হারুন ইসলাম, মঞ্জুর হোসাইন মাহি, নাইমুর রহমান ইমন ও সজীব মিয়া। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী এই ঘটনায় জড়িত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিজয় ৭১ হলে ‘প্রতিবাদী দেয়াললিখন’ কর্মসূচি চলাকালে সাংবাদিক ইফতেখার সোহান সিফাত ঘটনাস্থলের ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদল কর্মী নাভিদ আনজুম নিভান তাকে বাধা দেন। পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে বলা হয়, “সাংবাদিক হলেই এখানে ভিডিও করা যাবে না।” এ সময় উপস্থিত অন্য দুই সাংবাদিক- দৈনিক মানবজমিনের আসাদুজ্জামান খান ও নয়া দিগন্তের হারুন ইসলাম প্রতিবাদ জানালে তাদের সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা ও হেনস্তার ঘটনা ঘটে।
একই রাতে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে আরও তিন সাংবাদিক- কালের কণ্ঠের মঞ্জুর হোসাইন মাহি, ডেইলি অবজারভারের নাইমুর রহমান ইমন এবং ইউএনবির সজীব মিয়া- হেনস্তা ও হামলার শিকার হন। হলটিতে দেয়াললিখন ঘিরে চলমান উত্তেজনার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা একটি কক্ষে প্রবেশ করলে সেখানে উপস্থিত ছাত্রদল কর্মীরা তাদের বের হয়ে যেতে বলেন। সাংবাদিকরা বের হতে অস্বীকৃতি জানালে কয়েকজন কর্মী তাদের দিকে তেড়ে যান এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। ভুক্তভোগী নাইমুর রহমান ইমন বলেন, “নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও আমাদের বলা হয় এটি অভ্যন্তরীণ বিষয়, বাইরে থেকে কেন এসেছি। এরপর কয়েকজন আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মারধরের চেষ্টা করে।”
রিপোর্টারের নাম 






















