রাজধানী ঢাকাতে বিদ্যুতের লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানান, কৃষকেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন তা নিশ্চিত করতে এবং গ্রাম-শহরের মধ্যে বৈষম্য কমাতে সরকার ঢাকাতে পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। লোডশেডিংয়ে মানুষের কষ্টের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে, যা আগামী সাত দিনের মধ্যেই কমে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই বিদ্যুৎ সংকট একদিনের নয়, এটি বিগত সরকারের অব্যবস্থাপনার ফল।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা বেশি থাকলেও বাস্তবে তার ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। গতকাল বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, কিন্তু উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট, যার ফলে ২০৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে বাধ্য হতে হয়েছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও সেচের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল সরবরাহের নির্দেশনা দিয়েছেন, যা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবে কিছু জায়গায় লোডশেডিং হচ্ছে। এই পরিস্থিতি সহনীয় মাত্রায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এবং বিরোধীদলীয় নেতার সাথে আলোচনার পর ঢাকাতে প্রাথমিকভাবে ১১০ মেগাওয়াট পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, শহরের মানুষ আরামে থাকবে এবং গ্রামের কৃষক কষ্টে থাকবে— এমন বৈষম্য কাম্য নয়।
রিপোর্টারের নাম 





















