ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

মেঘনায় জালে ধরা পড়েছে ৬ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদীর মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৬ মণ ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ। স্থানীয়ভাবে মাছটি ‘হাউস মাছ’ নামে পরিচিত। মাছটি নিলামে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এতে দারুণ খুশি দীর্ঘদিন ধরে অর্থকষ্টে থাকা জেলে কীর্তন মাঝি। উপজেলার দক্ষিণে মেঘনা নদীর মোহনায় মাছটি ধরা পড়ে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকালে রামগতি উপজেলার বড়খেরী মাছঘাটে মাছটি নিলামে তোলা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দড়ি দিয়ে বেঁধে বাঁশে ঝুলিয়ে ১২ জন জেলে নৌকা থেকে মাছটি বড়খেরী ঘাটে নিয়ে আসেন। দূর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, মাছটি আকারে বড় এবং ওজনে অনেক বেশি। মাছঘাটে মোতালেব ব্যাপারীর আড়তে মাছটি নিলামে তোলা হয়।

স্থানীয় পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ ব্যাপারী ৭৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। মাছটি এতটাই বিশাল আকৃতির ছিল যে, ১২ জন জেলে মিলে নৌকা থেকে নামিয়ে ডাঙায় তুলতে পারছিলেন না। পরে পাশের একটি ট্রলারের জেলেদের সহায়তায় মাছটি ডাঙায় তোলা হয়। এ সময় মাছটি দেখতে ঘাট এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে।

আড়তদার মোতালেব ব্যাপারী বলেন, ‘সম্প্রতি মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় শাপলাপাতা মাছ ধরা পড়ছে। মূলত এই মাছ সাগরে থাকে। স্রোতের টানে মাছ নদীতে চলে এসেছে। কীর্তন মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়লে তিনি আমার আড়তে নিয়ে আসেন। পরে কৃষ্ণ ব্যাপারী মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় নিলামে কিনে নেন।’

কৃষ্ণ ব্যাপারী বলেন, ‘হাউস মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। এই মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যে দামে মাছটি কিনেছি, এর চেয়ে ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি।’

মাছ বিক্রেতা কীর্তন মাঝি বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই জালে তেমন মাছ ধরা পড়ছিল না। এতে আমি অর্থকষ্টে ছিলাম। বড় একটি শাপলাপাতা মাছ ধরা পড়ায় ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরেছি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব

মেঘনায় জালে ধরা পড়েছে ৬ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ

আপডেট সময় : ১০:২১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদীর মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৬ মণ ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ। স্থানীয়ভাবে মাছটি ‘হাউস মাছ’ নামে পরিচিত। মাছটি নিলামে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এতে দারুণ খুশি দীর্ঘদিন ধরে অর্থকষ্টে থাকা জেলে কীর্তন মাঝি। উপজেলার দক্ষিণে মেঘনা নদীর মোহনায় মাছটি ধরা পড়ে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকালে রামগতি উপজেলার বড়খেরী মাছঘাটে মাছটি নিলামে তোলা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দড়ি দিয়ে বেঁধে বাঁশে ঝুলিয়ে ১২ জন জেলে নৌকা থেকে মাছটি বড়খেরী ঘাটে নিয়ে আসেন। দূর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, মাছটি আকারে বড় এবং ওজনে অনেক বেশি। মাছঘাটে মোতালেব ব্যাপারীর আড়তে মাছটি নিলামে তোলা হয়।

স্থানীয় পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ ব্যাপারী ৭৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। মাছটি এতটাই বিশাল আকৃতির ছিল যে, ১২ জন জেলে মিলে নৌকা থেকে নামিয়ে ডাঙায় তুলতে পারছিলেন না। পরে পাশের একটি ট্রলারের জেলেদের সহায়তায় মাছটি ডাঙায় তোলা হয়। এ সময় মাছটি দেখতে ঘাট এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে।

আড়তদার মোতালেব ব্যাপারী বলেন, ‘সম্প্রতি মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় শাপলাপাতা মাছ ধরা পড়ছে। মূলত এই মাছ সাগরে থাকে। স্রোতের টানে মাছ নদীতে চলে এসেছে। কীর্তন মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়লে তিনি আমার আড়তে নিয়ে আসেন। পরে কৃষ্ণ ব্যাপারী মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় নিলামে কিনে নেন।’

কৃষ্ণ ব্যাপারী বলেন, ‘হাউস মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। এই মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যে দামে মাছটি কিনেছি, এর চেয়ে ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি।’

মাছ বিক্রেতা কীর্তন মাঝি বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই জালে তেমন মাছ ধরা পড়ছিল না। এতে আমি অর্থকষ্টে ছিলাম। বড় একটি শাপলাপাতা মাছ ধরা পড়ায় ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরেছি।’