চট্টগ্রামে অবৈধ সিএনজি অটোরিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার সময় ট্রাফিক পুলিশের ওপর চালকদের হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে সিএমপির কর্ণফুলী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলা করা হয়। মামলায় ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের গ্রেফতারে চলছে অভিযান।
গ্রেফতাররা হলেন- আব্দুল কাদের (২৫), নাঈম উদ্দিন (২৭), তৈয়ব (২৮), জোবাইদুল ইসলাম (২১), নাঈম উদ্দিন (২২), হানিফ (৩৫), আরিফ (২৫), জাবেদ (৩৪), গিয়াস উদ্দিন (১৯), শাহেদ (২৪), ইকবাল হোসেন (৩৪), ইকবাল হোসেন (২৭), আব্দুর রহমান (৫২), আব্দুল শুক্কুর (৩৩), আব্দুল্লাহ (২০) ও তানভীর হোসেন (২৪)।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের চরফরিদ ২ নম্বর ওয়ার্ডে ফয়সাল সিএনজি স্টেশনের পাশের ইউটার্ন এলাকায় সার্জেন্ট তফছিরুল ইসলাম, সার্জেন্ট ইমতিয়াজ শাহরিয়ার ভূঁইয়া, কনস্টেবল সালাউদ্দিন, মজিবুর রহমান ও মোজাম্মেলসহ ট্রাফিক পুলিশের একটি দল চেকপোস্ট দায়িত্ব পালন করছিলেন। চেকপোস্টে ১১টি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটক করা হয়। পরে গাড়িগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে মনসুরাবাদ ডাম্পিংয়ে পাঠানোর সময় হালকাযান ফেডারেশনের জিয়া, সুমন, বাহাদুর, কর্ণফুলী সিএনজি সমিতির সভাপতি হোসেন এবং ফকিন্নির হাট সিএনজি সমিতির সেক্রেটারি রুবেল চালকদের উসকানি দিয়ে অন্য চালকদের সঙ্গে নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
হামলায় দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক কনস্টেবল সালাউদ্দিনের মাথা, হাত ও পায়ে এবং সার্জেন্ট ইমতিয়াজ শাহরিয়ার ভূঁইয়ার কাঁধে গুরুতর আঘাত লাগে। আহত অবস্থায় তারা মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা জোরপূর্বক আটকরা সিএনজি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, খবর পেয়ে সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে ট্রাফিক বিভাগ ও কর্ণফুলী থানা পুলিশের একাধিক টিম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ৪৩টি অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা ও ১৭টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
রবিবার রাতে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা করে। ২০১৯ সালের আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের ৪/৫ ধারায় এ মামলাটি করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















