নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন করে বৈধ অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়া হতে পারে এবং নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বড় একটি পর্যবেক্ষক দল অংশ নেবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনি প্রচারণার সময় প্রার্থীদের বৈধ অস্ত্র বহনের বিষয়ে বিদ্যমান আচরণবিধির সাথে কোনো সংঘাত দেখা দিলে প্রয়োজনে তা সংশোধন বা পরিমার্জন করা হবে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান সংক্রান্ত একটি নীতিমালা জারির প্রেক্ষাপটে কমিশন এই অবস্থান স্পষ্ট করল। সচিব আরও জানান, এবারের নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক পাঠাবে সংস্থাটি, যার নেতৃত্ব দেবেন ইইউ পার্লামেন্ট সদস্য আইভার্স ইজাপস।
ভোটের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ইসি সকল ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের বিদ্যমান সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ দিয়েছে। যেসকল কেন্দ্রে সিসিটিভি নেই, সেখানে ভোটগ্রহণের দিনের জন্য অন্তত সংযোগের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে নির্বাচনি সংলাপ বা টকশো প্রচারের ক্ষেত্রে সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে কোনো নির্দিষ্ট দল বা প্রার্থীকে হেয় প্রতিপন্ন করা না হয়।
এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ২০২৪ সালের ‘ডামি’ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীকে আগামী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। এ লক্ষ্যে তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেছে এবং সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে রিট করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াতেও ব্যাপক সাড়া মিলছে; ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৫৭ হাজারেরও বেশি ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামী ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
রিপোর্টারের নাম 

























