ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বিদেশের ব্যাংকে ইরানের জব্দ করা ১০০ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে টানাপোড়েন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য সমঝোতা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে আটকে থাকা তেহরানের বিশাল অংকের সম্পদ। ইরানের অন্তত ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সম্পদ বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জব্দ অবস্থায় রয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তেহরান দাবি করেছে, যেকোনো ফলপ্রসূ আলোচনার আগে এই অর্থ অবমুক্ত করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, জব্দ থাকা এই অর্থের পরিমাণ ইরানের বার্ষিক হাইড্রোকার্বন আয়ের প্রায় চারগুণ। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা দেশটির অর্থনীতির জন্য এই তহবিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি তেহরান আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিকভাবে অন্তত ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড় করার দাবি জানিয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসন এখনও এই সম্পদগুলোর ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ তুলে নিতে পুরোপুরি সম্মত হয়নি। এই সম্পদগুলো মূলত তেলের অর্থ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ থেকে অর্জিত, যা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান ব্যবহার করতে পারছে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

বিদেশের ব্যাংকে ইরানের জব্দ করা ১০০ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে টানাপোড়েন

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য সমঝোতা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে আটকে থাকা তেহরানের বিশাল অংকের সম্পদ। ইরানের অন্তত ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সম্পদ বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জব্দ অবস্থায় রয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তেহরান দাবি করেছে, যেকোনো ফলপ্রসূ আলোচনার আগে এই অর্থ অবমুক্ত করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, জব্দ থাকা এই অর্থের পরিমাণ ইরানের বার্ষিক হাইড্রোকার্বন আয়ের প্রায় চারগুণ। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা দেশটির অর্থনীতির জন্য এই তহবিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি তেহরান আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিকভাবে অন্তত ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড় করার দাবি জানিয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসন এখনও এই সম্পদগুলোর ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ তুলে নিতে পুরোপুরি সম্মত হয়নি। এই সম্পদগুলো মূলত তেলের অর্থ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ থেকে অর্জিত, যা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান ব্যবহার করতে পারছে না।