ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বলিউডে পুরুষতন্ত্রের আধিপত্যে অভিনেত্রীরা শৌখিন পণ্যের মতো ব্যবহৃত হচ্ছেন: নুসরাত ভারুচা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

সস্তা জনপ্রিয়তার স্রোতে গা ভাসাতে চান না অভিনেত্রী নুসরাত ভারুচা। তিনি অনেক বাছ-বিচার করে কাজ করেন। সে কারণে এই অভিনেত্রীকে দর্শক সব সময় ব্যতিক্রমী গল্প ও চরিত্রে দেখার সুযোগ পান। তবে সব সময় যে সেই সুযোগ থাকে না, এবার তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন এই বলিউড অভিনেত্রী। একই সঙ্গে তিনি এও জানালেন যে, বলিউডে পুরুষতন্ত্র যেভাবে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে, তাতে অভিনেত্রীরা সিনেমায় শৌখিন পণ্যের মতোই ব্যবহৃত হয়ে চলেছেন। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, সমকালীন বেশ কিছু বলিউড সিনেমাতে এই পুরুষতন্ত্রের ছাপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

এ নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হিন্দি ছবিতে এই উগ্র পৌরুষ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী নুসরাত ভারুচা। তাঁর কথায়, ‘আমাদের দেশ মূলত পুরুষতন্ত্রে বিশ্বাসী। আর তা আমাদের বিনোদন দুনিয়াতেও একইভাবে ছাপ ফেলছে। আমাদের জনসংখ্যায় গরিষ্ঠতাও পুরুষদের। আর তাই আমাদের এক প্রকার পুরুষতন্ত্র আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। আর সেভাবেই হিন্দি সিনেমাতে পুরুষতন্ত্রের ছাপ আমরা বছরের পর বছর দেখতে পাচ্ছি। একই চিত্র আমাদের হিন্দি সিনেমাতেও ভরপুর রয়েছে। এই পরিবর্তন এত সহজে সম্ভব নয়। সেটা হতে সময় লাগবে। তবে পরিবর্তন একদিন ঠিকই হবে বলে আমি আশা রাখি।’

নুসরাত আরও বলেছেন, শুধু যে পুরুষতন্ত্র বলিউডের সিনেমায় প্রাধান্য পায় এমন নয়। একইভাবে নারীদের কথা মাথায় রেখেও বহু সিনেমা তৈরি হয়েছে। সেই সিনেমাগুলো ভালো ব্যবসাও করেছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ‘মিমি’, ‘ছোরি’, ‘ড্রিম গার্ল’, ‘আকেলি’ এবং ‘পিঙ্ক’। কাজেই নায়ককে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাই যে শুধু ভালো ব্যবসা করবে, এ কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তিনি জানান, ‘আমি নিজে বলিউডে কমেডি ঘরানার কাজ দিয়ে জার্নি শুরু করেছিলাম। এরপর বুঝলাম, বলিউডে একটা ব্যাপার রয়েছে যে, তুমি যে ঘরানার সিনেমায় কাজ করছ সেই ধরনের সিনেমা ও চরিত্রের সুযোগই বারবার আসে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এরপর যখন আমার কাছে ‘ছোরি’ সিনেমার সুযোগ আসে, আমি সেই ছবির সুযোগ হারাতে চাইনি। কারণ আমার মনে হয়েছিল এই ছবির হাত ধরেই আমি দর্শকের মনে আমার একটা নতুন দিকের পরিচয় ঘটাতে পারব।’

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১১ ইসরাইলি সেনা আহত, আশঙ্কাজনক ৩

বলিউডে পুরুষতন্ত্রের আধিপত্যে অভিনেত্রীরা শৌখিন পণ্যের মতো ব্যবহৃত হচ্ছেন: নুসরাত ভারুচা

আপডেট সময় : ১২:২৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সস্তা জনপ্রিয়তার স্রোতে গা ভাসাতে চান না অভিনেত্রী নুসরাত ভারুচা। তিনি অনেক বাছ-বিচার করে কাজ করেন। সে কারণে এই অভিনেত্রীকে দর্শক সব সময় ব্যতিক্রমী গল্প ও চরিত্রে দেখার সুযোগ পান। তবে সব সময় যে সেই সুযোগ থাকে না, এবার তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন এই বলিউড অভিনেত্রী। একই সঙ্গে তিনি এও জানালেন যে, বলিউডে পুরুষতন্ত্র যেভাবে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে, তাতে অভিনেত্রীরা সিনেমায় শৌখিন পণ্যের মতোই ব্যবহৃত হয়ে চলেছেন। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, সমকালীন বেশ কিছু বলিউড সিনেমাতে এই পুরুষতন্ত্রের ছাপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

এ নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হিন্দি ছবিতে এই উগ্র পৌরুষ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী নুসরাত ভারুচা। তাঁর কথায়, ‘আমাদের দেশ মূলত পুরুষতন্ত্রে বিশ্বাসী। আর তা আমাদের বিনোদন দুনিয়াতেও একইভাবে ছাপ ফেলছে। আমাদের জনসংখ্যায় গরিষ্ঠতাও পুরুষদের। আর তাই আমাদের এক প্রকার পুরুষতন্ত্র আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। আর সেভাবেই হিন্দি সিনেমাতে পুরুষতন্ত্রের ছাপ আমরা বছরের পর বছর দেখতে পাচ্ছি। একই চিত্র আমাদের হিন্দি সিনেমাতেও ভরপুর রয়েছে। এই পরিবর্তন এত সহজে সম্ভব নয়। সেটা হতে সময় লাগবে। তবে পরিবর্তন একদিন ঠিকই হবে বলে আমি আশা রাখি।’

নুসরাত আরও বলেছেন, শুধু যে পুরুষতন্ত্র বলিউডের সিনেমায় প্রাধান্য পায় এমন নয়। একইভাবে নারীদের কথা মাথায় রেখেও বহু সিনেমা তৈরি হয়েছে। সেই সিনেমাগুলো ভালো ব্যবসাও করেছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ‘মিমি’, ‘ছোরি’, ‘ড্রিম গার্ল’, ‘আকেলি’ এবং ‘পিঙ্ক’। কাজেই নায়ককে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাই যে শুধু ভালো ব্যবসা করবে, এ কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তিনি জানান, ‘আমি নিজে বলিউডে কমেডি ঘরানার কাজ দিয়ে জার্নি শুরু করেছিলাম। এরপর বুঝলাম, বলিউডে একটা ব্যাপার রয়েছে যে, তুমি যে ঘরানার সিনেমায় কাজ করছ সেই ধরনের সিনেমা ও চরিত্রের সুযোগই বারবার আসে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এরপর যখন আমার কাছে ‘ছোরি’ সিনেমার সুযোগ আসে, আমি সেই ছবির সুযোগ হারাতে চাইনি। কারণ আমার মনে হয়েছিল এই ছবির হাত ধরেই আমি দর্শকের মনে আমার একটা নতুন দিকের পরিচয় ঘটাতে পারব।’