যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গাজায় নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার হুমকি দিয়েছে ইসরাইল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বাকি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার পরপরই গাজায় হামাসকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করা হবে। মিডল ইস্ট মনিটরের খবর অনুযায়ী, সামাজিক মাধ্যম এক্স (পূর্বে টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।
কাৎজ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, জিম্মিদের ফিরিয়ে দেওয়ার পর ইসরাইলের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাজায় হামাসের সমস্ত সুড়ঙ্গপথ ধ্বংস করা। তিনি দাবি করেন, ‘গাজাকে বেসামরিকীকরণ এবং হামাসকে নিরস্ত্র করার নীতি বাস্তবায়নের জন্য এটিই প্রাথমিক শর্ত।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, তিনি ইতোমধ্যে ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনীকে এই নতুন অভিযান বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কাতার, মিশর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাস একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি থাকা সত্ত্বেও কাৎজের এমন আক্রমণাত্মক মন্তব্য স্পষ্ট করে যে ইসরাইল এই যুদ্ধবিরতিকে গাজা উপত্যকায় হামলা বন্ধ করার চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে না, বরং এটিকে পুনরায় বড় আকারের অভিযান শুরু করার আগে একটি সাময়িক বিরতি হিসেবে ব্যবহার করছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে নতুন করে অভিযানের প্রস্তুতি নিতে প্রকাশ্যে নির্দেশ দেওয়া আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই সামরিক অভিযানে ইতোমধ্যেই ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের একটি বিশাল অংশ নারী ও শিশু। এছাড়া প্রায় ২০ লাখ মানুষ গাজায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















