ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় গণদোয়ায় ঐক্যবদ্ধ খুলনা বিএনপি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে খুলনার ঐতিহাসিক হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয় গণদোয়া ও আলোচনা সভা। বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ ছিল খুলনা বিএনপি। খুলনার দুই শীর্ষ নেতা শফিকুল আলম মনা ও নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে ৪ বছর পর এক মঞ্চে পাশাপাশি দেখা গেলো। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা।

এ আয়োজনে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ উপস্থিত হয়ে বিএনপি নেত্রীর সুস্থতা, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-স্থিতিশীলতা কামনা করে দীর্ঘ বিশেষ মুনাজাত করা হয়। মুনাজাতে হাজারো মানুষ একসঙ্গে প্রার্থনা করেন, ‘আল্লাহ দেশের এই কঠিন সময় দূর করুন। আমাদের নেত্রীকে সুস্থতা দান করুন, তাকে তাড়াতাড়ি আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনুন।’

২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর খুলনা মহানগর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার পর থেকে পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ছিল দুই পক্ষ। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন মহানগর সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। অন্যপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও মনিরুজ্জামান মণি। গত ৩ বছর ধরে কেন্দ্রীয় ও দিবস ভিত্তিক কর্মসূচি পৃথকভাবে পালন করছেন তারা। এ বছরের শুরু থেকে খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে তৎপরতা শুরু করেন শফিকুল আলম তুহিন। প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নামেন শফিকুল আলম মনা। আগে থেকেই মাঠে ছিলেন সাবেক সভাপতি ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

তিন নেতা পৃথকভাবে প্রচারণায় বিএনপিতে বিরোধ আরও তীব্র হয়। পরে মঞ্জুর বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করেন মনা ও তুহিন। গত ২৭ অক্টোবর সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভায় তিন নেতাই আমন্ত্রণ পান। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ৩ নভেম্বর নজরুল ইসলাম মঞ্জুর হাতেই ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেয় বিএনপি। এতে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে মঞ্জু গ্রুপে। হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয় মহানগর বিএনপির বর্তমান নেতাদের অনুসারীরা। এমন পরিস্থিতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের কোন্দল মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। খুলনায় এরপর থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের পদক্ষেপে বিরোধ নিরসনে ঘরোয়া বৈঠক হয়। যার দৃশ্যমান তৎপরতা ১১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনার দোয়া অনুষ্ঠান থেকেই প্রকাশ্য হলো।

সভায় শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ থাকলে দেশের গণতন্ত্র টিকে থাকে, মানুষ নিরাপদ থাকে। তিনি শুধু একজন নেত্রী নন; তিনি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জীবন্ত প্রতীক। যে মানুষটি নিজের জীবনকে দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন, যিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় বছরের পর বছর কারাবরণ করেছেন, তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় বন্দি রাখা হয়েছিল। আজ দেশের ক্রান্তিলগ্নে তার অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ও উপস্থিতি বড় বেশি প্রয়োজন। আমরা অবর্ণনীয় রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। মানুষের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা— সবকিছু আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। এ সময় বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে জাতিকে পথ দেখান– এটাই মানুষের প্রত্যাশা।’

অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী নন, তিনি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তিনি সুস্থ না থাকলে দেশ ও রাজনীতি কখনও পূর্ণতা পাবে না। এবারের নির্বাচনটি শুধু আরেকটি নির্বাচন নয়— এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। আমাদের নেত্রী সুস্থ থাকলে তিনি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন, দিক নির্দেশনা দেবেন, আমাদের সাহস জোগাবেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে খুব শিগগিরই বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন, নেতৃত্ব দেবেন এবং দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আপনারা যে যেখানে আছেন মসজিদে, ঘরে, কর্মস্থলে দু’হাত তুলে দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাদের নেত্রী ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সুস্থ রাখেন, নিরাপদ রাখেন।’

দোয়া ও আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা সিটির সাবেক মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মণি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ। উপস্থিত ছিলেন শাহরুজ্জামান মোর্তজা, ফখরুল আলম, বেগম রেহানা ঈসা, বদরুল আনাম খান, শের আলম সান্টু, থানার সভাপতি সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, কাজী মিজানুর রহমান, থানা সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ ইমাম হোসেন, আব্বাস হাওলাদার, থানা সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পী, নাসির উদ্দিন, মতলবুর রহমান মিতুল, সাঈদ হাসান লাভলু, একরামুল কবির মিল্টন, মহিলা নেত্রী সৈয়দা নার্গিস আলী, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম, জাসাসের ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম বাচ্চু, কে এম এ জলিল, যুবদল নেতা আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, কৃষক দলের আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, শেখ আদনান ইসলাম দীপ, স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরাজুর রহমান মিরাজ, ইশতিয়াক আহমেদ,তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবু সাঈদ শেখ, ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আবু নাঈম কাজী, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মজিবর রহমান, সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম শফিসহ নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারের আকাশসীমায় ইরানের আগ্রাসন প্রতিহত: দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় গণদোয়ায় ঐক্যবদ্ধ খুলনা বিএনপি

আপডেট সময় : ০৭:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে খুলনার ঐতিহাসিক হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয় গণদোয়া ও আলোচনা সভা। বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ ছিল খুলনা বিএনপি। খুলনার দুই শীর্ষ নেতা শফিকুল আলম মনা ও নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে ৪ বছর পর এক মঞ্চে পাশাপাশি দেখা গেলো। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা।

এ আয়োজনে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ উপস্থিত হয়ে বিএনপি নেত্রীর সুস্থতা, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-স্থিতিশীলতা কামনা করে দীর্ঘ বিশেষ মুনাজাত করা হয়। মুনাজাতে হাজারো মানুষ একসঙ্গে প্রার্থনা করেন, ‘আল্লাহ দেশের এই কঠিন সময় দূর করুন। আমাদের নেত্রীকে সুস্থতা দান করুন, তাকে তাড়াতাড়ি আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনুন।’

২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর খুলনা মহানগর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার পর থেকে পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ছিল দুই পক্ষ। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন মহানগর সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। অন্যপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও মনিরুজ্জামান মণি। গত ৩ বছর ধরে কেন্দ্রীয় ও দিবস ভিত্তিক কর্মসূচি পৃথকভাবে পালন করছেন তারা। এ বছরের শুরু থেকে খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে তৎপরতা শুরু করেন শফিকুল আলম তুহিন। প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নামেন শফিকুল আলম মনা। আগে থেকেই মাঠে ছিলেন সাবেক সভাপতি ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

তিন নেতা পৃথকভাবে প্রচারণায় বিএনপিতে বিরোধ আরও তীব্র হয়। পরে মঞ্জুর বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করেন মনা ও তুহিন। গত ২৭ অক্টোবর সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভায় তিন নেতাই আমন্ত্রণ পান। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ৩ নভেম্বর নজরুল ইসলাম মঞ্জুর হাতেই ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেয় বিএনপি। এতে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে মঞ্জু গ্রুপে। হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয় মহানগর বিএনপির বর্তমান নেতাদের অনুসারীরা। এমন পরিস্থিতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের কোন্দল মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। খুলনায় এরপর থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের পদক্ষেপে বিরোধ নিরসনে ঘরোয়া বৈঠক হয়। যার দৃশ্যমান তৎপরতা ১১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনার দোয়া অনুষ্ঠান থেকেই প্রকাশ্য হলো।

সভায় শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ থাকলে দেশের গণতন্ত্র টিকে থাকে, মানুষ নিরাপদ থাকে। তিনি শুধু একজন নেত্রী নন; তিনি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জীবন্ত প্রতীক। যে মানুষটি নিজের জীবনকে দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন, যিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় বছরের পর বছর কারাবরণ করেছেন, তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় বন্দি রাখা হয়েছিল। আজ দেশের ক্রান্তিলগ্নে তার অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ও উপস্থিতি বড় বেশি প্রয়োজন। আমরা অবর্ণনীয় রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। মানুষের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা— সবকিছু আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। এ সময় বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে জাতিকে পথ দেখান– এটাই মানুষের প্রত্যাশা।’

অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী নন, তিনি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তিনি সুস্থ না থাকলে দেশ ও রাজনীতি কখনও পূর্ণতা পাবে না। এবারের নির্বাচনটি শুধু আরেকটি নির্বাচন নয়— এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। আমাদের নেত্রী সুস্থ থাকলে তিনি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন, দিক নির্দেশনা দেবেন, আমাদের সাহস জোগাবেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে খুব শিগগিরই বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন, নেতৃত্ব দেবেন এবং দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আপনারা যে যেখানে আছেন মসজিদে, ঘরে, কর্মস্থলে দু’হাত তুলে দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাদের নেত্রী ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সুস্থ রাখেন, নিরাপদ রাখেন।’

দোয়া ও আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা সিটির সাবেক মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মণি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ। উপস্থিত ছিলেন শাহরুজ্জামান মোর্তজা, ফখরুল আলম, বেগম রেহানা ঈসা, বদরুল আনাম খান, শের আলম সান্টু, থানার সভাপতি সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, কাজী মিজানুর রহমান, থানা সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ ইমাম হোসেন, আব্বাস হাওলাদার, থানা সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পী, নাসির উদ্দিন, মতলবুর রহমান মিতুল, সাঈদ হাসান লাভলু, একরামুল কবির মিল্টন, মহিলা নেত্রী সৈয়দা নার্গিস আলী, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম, জাসাসের ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম বাচ্চু, কে এম এ জলিল, যুবদল নেতা আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, কৃষক দলের আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, শেখ আদনান ইসলাম দীপ, স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরাজুর রহমান মিরাজ, ইশতিয়াক আহমেদ,তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবু সাঈদ শেখ, ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আবু নাঈম কাজী, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মজিবর রহমান, সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম শফিসহ নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা।