ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা ভাবছে। দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম জানিয়েছেন, যে দলগুলো ‘ভারতীয় আধিপত্যের’ বাইরে থাকবে, তাদের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে লড়তে পারে এনসিপি।
তিনি আরও বলেন, এনসিপির প্রতীক ‘শাপলা’ নিয়ে আইনি কোনো জটিলতা নেই। তাই আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা এই শাপলা প্রতীক নিয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এনসিপি কোনো জোটে গেলেও নিজস্ব প্রতীকেই নির্বাচন করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে শেরপুর শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও কর্মীদের নিয়ে একটি সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম এই কথাগুলো বলেন।
তিনি জানান, নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার জন্য সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ মনে করে এনসিপি। আগামীর রাজনৈতিক লড়াই, গণতান্ত্রিক পথে উত্তরণ, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম অব্যাহত রাখা কিংবা নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি—সব ক্ষেত্রেই সাংগঠনিক কাঠামো অপরিহার্য। এই লক্ষ্যেই এনসিপি আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলায় সমন্বয় সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে বিএনপি এককভাবে সরকার গড়তে পারেনি এবং জামায়াতও কখনও জনগণের বৃহৎ অংশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেনি। এই প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচনে এনসিপি সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীর ভূমিকা পালন করবে। এজন্যই তারা দেশজুড়ে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সমন্বয় সভা করছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে এনসিপির কমিটি গঠন করা হবে।
শেরপুর জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়ার সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলম ছাড়াও জেলা ও উপজেলা স্তরের নেতৃবৃন্দ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতারা এবং ‘জুলাই যোদ্ধারা’ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























