বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেনের অশ্লীল ছবি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে সোয়া কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার পক্ষে সোমবার রাতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন কাহালু উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মোমিন।
মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মোশারফ হোসেনের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য অজ্ঞাতনামা কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্ন অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে সদর থানার উপশহরে তার নিজ বাসায় অবস্থানকালে নিজ নামে ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপে অজ্ঞাতনামা বিদেশি নম্বর থেকে বার্তা প্রদানের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা দাবি করা হয়। অন্যথায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা এআইয়ের মাধ্যমে তার বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল ছবি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করার হুমকি দেয়।
মোশারফ হোসেন বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে দলীয় সিদ্ধান্তে পদত্যাগের পর ২০২৩ সালে উপনির্বাচন হয়।
এ বিষয়ে মোশারফ হোসেন বলেন, ‘একটি মহল আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ভোটারদের স্বতঃফূর্ত অভাবনীয় সাড়া দেখে ভীত হয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অপতথ্য ছড়াচ্ছে। সর্বশেষ এআই ব্যবহার করে নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে সোয়া কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে এবং ভোটারদের বিভ্রান্ত করতেই নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীরা। আমি দীর্ঘদিন নির্বাচনি এলাকার মাটি ও মানুষের সঙ্গে আছি। সবার সুখে-দুখে সবসময় পাশে থাকছি। তাই এসব অপপ্রচার ও হুমকিতে আমার জনপ্রিয়তার কোনও ক্ষতি হবে না। বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো।’
রিপোর্টারের নাম 

























